পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: কেইকো ফুজিমোরি কত ভোটে বিজয়ী হন
প র র প র স ড – পেরুর জাতীয় সংসদের সদস্য কেইকো ফুজিমোরি গত শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী ঘোষিত হন। এই ফলাফল ইলেকটোরাল কোর্ট ন্যাশনাল জুরি অব ইলেকশনস (জেএনই) থেকে প্রকাশ করা হয়। দ্বিতীয় ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল গত ৭ জুন, যার পর আনুষ্ঠানিক গণনা শেষ হয় গত সপ্তাহের শুরুতে। বিজয়ী হওয়া ঘোষণার পর ফুজিমোরি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “একটি নতুন অধ্যায়ের শুরু হলো”
“আমরা দায়িত্ব, বিনয় ও গভীর কর্তব্যবোধের সঙ্গে এ দায়িত্ব নিচ্ছি। এ রূপান্তর প্রক্রিয়ার প্রতিটি দিন শোনার, সংলাপে অংশ নেওয়ার এবং নতুন সরকারের প্রস্তুত হওয়ার একটি সুযোগ।”
ফুজিমোরি বামপন্থী প্রার্থী রবার্তো সানচেজকে পরাজিত করেন। তিনি পেয়েছেন ৯২ লাখ ২৩ হাজার ভোট, যখন প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন ৯১ লাখ ৭৩ হাজার। এ নির্বাচনে কোনো দ্বন্দ্ব ছিল না বলে জানায় ন্যাশনাল জুরি। তবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল কারচুপির অভিযোগ তুলেছে।
প্রবাসী ভোটারদের ভূমিকা
গত এপ্রিলে প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হয়। কোনো প্রার্থী ৫০ শতাংশ ভোট না পেলে দ্বিতীয় ধাপে পৌঁছতে হয়। কেইকো ফুজিমোরি ও রবার্তো সানচেজ মূলত দ্বিতীয় দফায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এপ্রিলের ভোট বিতরণে বিলম্ব ও ডিজিটাল গণনার নিয়মে বিশেষ চুন্নি ছিল। এ প্রসঙ্গে আল-জাজিরার সাংবাদিক মারিয়ানা সানচেজ বলেন, “প্রবাসী ভোটারদের সমর্থন ফুজিমোরির বিজয়ে সহায়তা করেছে”
তিনি আরও দাবি করেন, “রবার্তো সানচেজ পেরুতে বেশি ভোট পেয়েছেন। কিন্তু প্রবাসীদের ভোট ফুজিমোরির পক্ষে গেছে”
প্রতিদ্বন্দ্বী সানচেজের আক্রমণ
রবার্তো সানচেজ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের অভিযোগ করেন যে ভোট গণনায় অনিয়ম ঘটেছে। তবে তাঁর কোনো প্রমাণ প্রমাণে আসেনি। গ্রামীণ ও আদিবাসী ভোটারদের মধ্যে তাঁর সমর্থন ছিল বলে জানা যায়।
কেইকো ফুজিমোরি ৫১ বছর বয়সী। তিনি আলবার্তো ফুজিমোরির মেয়ে। আগের প্রেসিডেন্ট এক সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য ১৬ বছর কারাভোগ করেছিলেন। তিনি প্রবাসী ভোটারদের সমর্থ
