Uncategorized

পেট্রল–অকটেন-কেরোসিনের দাম বাড়ল, ডিজেল আগের দামেই

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ঘটল প ট রল অকট ন ক র - আজ রোববার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় দ্বারা প্রকাশিত একটি প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

Desk Uncategorized
Published June 1, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ঘটল

প ট রল অকট ন ক র – আজ রোববার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় দ্বারা প্রকাশিত একটি প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। অনুসারে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছিল। যুদ্ধের শুরুতে মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি তেলের সরবরাহে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্ববাজারে দাম বেড়ে যাওয়ার পর দেশে তেলের সরবরাহ নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়।

এরপর মে মাসে তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়। কিন্তু জুন মাসে সরকার তিন ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করে। আজ রাত ১২টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। কেরোসিনের দাম প্রতি লিটার ১৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে। পেট্রলের দাম প্রতি লিটার ১৩৫ টাকা থেকে ১৪০ টাকা ও অকটেনের দাম ১৪০ টাকা থেকে ১৪৫ টাকা করে। ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেলের দাম ১১৫ টাকায় অপরিবর্তিত রেখেছে সরকার।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, দেশের ইতিহাসে একলাফে জ্বালানি তেলের সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধি হয় ২০২২ সালের আগস্টে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর ডিজেলের দাম সাড়ে ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১১৪ টাকা হয়ে যায়। যদিও সেই মাসে দাম কমানো হয়েছিল।

২০২৪ সালের মার্চ থেকে বিশ্ববাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ শুরু করে সরকার। এতে আগের মাসে আমদানি করা তেলের খরচ বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। মার্চ এবং এপ্রিলে শুরুতে দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়। তবে ১৯ এপ্রিল থেকে বাজারে তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়ে ফিলিং স্টেশন থেকে ভিড় কমে।

পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম আরও বৃদ্ধি হয়েছে। যদিও বিশ্ববাজারের সাথে মেল রেখে সরকার তেলের দাম সমন্বয় করছে, তার পরিণতি বাজার পর্যায়ে প্রতিফলিত হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এতে প্রভাব পড়ে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের সরবরাহে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সেই প্রসঙ্গে গত এপ্রিলে নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর বাজারে তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছিল। এরপর ধীরে ধীরে ফিলিং স্টেশনগুলোতে লাইন কমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

Leave a Comment