পুরান ঢাকায় লাল চাঁদ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ ২৭ জুলাই
প র ন ঢ ক য় ল – পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যা করার ঘটনায় করা মামলায় আদালত ২৭ জুলাই তারিখ নির্ধারণ করেছেন সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য। প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ এ তারিখ ধার্য করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী এ এস এম শাহাদাৎ আলী তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
আজ সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। নয়জন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। কিন্তু দুজন সাক্ষী আসেননি। আদালত ২৭ জুলাই নতুন তারিখ ধার্য করেছেন।
গত বছরের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। লাল চাঁদকে এলোপাতাড়ি পাথর দিয়ে আঘাত করে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন তার বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম কোতোয়ালি থানায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। অপরিচিত ব্যক্তিরা এ মামলায় আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন মাহমুদ হাসান মাহিন, সারোয়ার হোসেন টিটু, মঙ্গল মিয়া ওরফে মনির হোসেন, আলমগীর, মনির ওরফে লম্বা মনির, নান্নু ওরফে নান্নু কাজী, সজীব ওরফে সজীব ব্যাপারী, তারেক রহমান, টিটন গাজী, অপু দাস, রিজওয়ান উদ্দিন ওরফে অভিজিৎ বসু, জহিরুল ইসলাম, পারভেজ, সাগর, রুমান ব্যাপারী, আবির হোসেন, জহির ওরফে জলিল, ইমরান, শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, জিয়াউদ্দিন রাজীব, হোসেন চৌকিদার এবং মো. সারোয়ার হোসেন টিটু।
অভিযোগপত্রভুক্ত ২১ আসামির মধ্যে ৯ জন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। তাঁরা হলেন মো. তারেক রহমান রবিন, মো. টিটন গাজী, মো. আলমগীর, মো. মনির ওরফে লম্বা মনির, মো. নানু কাজী, মো. রিজওয়ান উদ্দীন ওরফে অভিজিৎ বসু, মো. জহিরুল ইসলাম, মো. সাগর ও মো. মাহমুদ হাসান মাহিন। বর্তমানে মো. রুমান ব্যাপারী, মো. আবির হোসেন ও মো. পারভেজ উচ্চ আদালত থেকে জামিনে আছেন। সর্বশেষ জামিন পেয়েছেন সজীব ব্যাপারী।
নিহত লাল চাঁদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিটফোর্ড এলাকার রজনী ঘোষ লেনে ভাঙারি ব্যবসা করতেন। ব্যবসায়ি আধিপত্য ও ভাঙারি ব্যবসার নিয়ন্ত্রণসহ আসামি মো. মাহম
