Uncategorized

যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ মহড়া: এক্সারসাইজ টাইগার লাইটনিংয়ের উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ যৌথ মহড়া: টাইগার লাইটনিংয়ের উদ্বোধন য ক তর ষ ট র ও - যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ অনুশীলন ‘এক্সারসাইজ টাইগার লাইটনিং

Desk Uncategorized
Published July 20, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ যৌথ মহড়া: টাইগার লাইটনিংয়ের উদ্বোধন

য ক তর ষ ট র ও – যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ অনুশীলন ‘এক্সারসাইজ টাইগার লাইটনিং (টিএল)-২০২৬’ আজ রোববার সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাসে প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডে শুরু হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান। এই সংযুক্ত অনুশীলনটি মোট ১৩ দিনের জন্য পরিচালিত হবে, যা ৩১ জুলাই পর্যন্ত চলমান থাকবে।

অনুশীলনের মূল উদ্দেশ্য

এই যৌথ মহড়া বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সামরিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। অনুশীলনটি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা বিধানে উভয় দেশের সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। এটি সন্ত্রাস দমন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং মানবিক সহায়তার সম্পর্কে মূল্যবান অনুশীলন। যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর ক্রমবর্ধমান অংশীদারত্বের সাথে সামরিক যোগাযোগ উন্নয়নে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

অংশগ্রহণকারীদের বিবরণ

এই অনুশীলনে যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি প্যাসিফিক এবং ওরেগন ন্যাশনাল গার্ড থেকে ৯১ জন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড ও বিভিন্ন ফরমেশনের মোট ৯৩ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ গ্রহণ করছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আর্মি প্যাসিফিকের ডেপুটি কমান্ডিং জেনারেল স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড প্ল্যানস জিওসি, ১৭ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার সিলেট এরিয়া, কমান্ড্যান্ট এসআই অ্যান্ড টি, উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা এবং কূটনীতিক। এই সমারোহে সেনাবাহিনী এবং গণমাধ্যমের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যে সামরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে এই অনুশীলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সেনাবাহিনী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সময় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সমবেত চেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ। এই যৌথ মহড়া দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত অংশীদারত্বের প্রতি প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করছে।

অনুশীলনটি পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র আর্মি প্যাসিফিকের সহায়তায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সামরিক সক্ষমতা আরও জোরদার হবে। এই অনুশীলনে বিশেষ ভাবে আভিযানিক ক্ষমতা বিকাশের লক্ষ্য রয়েছে, যা বৈশ্বিক হুমকি মোকাবিলায় সমবেত

Leave a Comment