নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারায় ডিপি ওয়ার্ল্ড আবার আলোচনায়, এক দিনে দুই চিঠি
ন উম র ট র ম ন – চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) নিয়ে সরকার ও বন্দর কর্তৃপক্ষ একই দিনে দুই বিপর্যয় ধারণা প্রকাশ করে। প্রথম চিঠিতে সরকার জানিয়েছিল ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে এনসিটি ইজারা প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ কিংবা বাতিল করার আবেদন করা হয়েছে। পরের চিঠিতে অব্যাহত আলোচনা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর ফলে আবার সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে বন্দরের এই ইজারা বিষয়ে।
বাতিল বা চলমান দর-কষাকষি
প্রথম চিঠিতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল এনসিটি ইজারা প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার আহ্বান দেওয়া হয়েছে। যাইহোক, সেই দিন বিকেলে আবার ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়। প্রক্রিয়ার দুই বিপর্যয় কর্তৃপক্ষ থেকে মতামত পাঠানো হয়। ওই মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রথম চিঠি দেয়া হয়।
বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্যদের বিভিন্ন বিষয়ে আপত্তি ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে শ্রমিক অসন্তোষ ও আন্দোলনের কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত গত ৯ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকার এনসিটি ইজারা প্রক্রিয়া স্থগিত ঘোষণা করে।
তবে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ-দুবাই যৌথ পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ প্ল্যাটফর্মের চতুর্থ সভায় বিষয়টি আবার আলোচনায় আসে। সেখানে ডিপি ওয়ার্ল্ড শুধু এনসিটি নয়, পাশের চিটাগং কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) যুক্ত করে একটি সমন্বিত টার্মিনাল হিসেবে পরিচালনার প্রস্তাব দেয়।
আগে এবং পরে পরিবর্তন ছিল না
বন্দরের সরকারি কর্মকর্তারা বলেন, বাস্তবে সরকারের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তই বহাল রয়েছে। পিপিপি কর্তৃপক্ষের মতামতের নেপথ্যে কী জানতে চাইলে বাংলাদেশ পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক চৌধুরীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন না ধরায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।
এ নিয়ে আবার আলোচনায় এসেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এমজিএইচ গ্রুপের প্রস্তাব ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে আলোচনা চলমান থাকলেও এরই মধ্যে দেশীয় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এমজিএইচ গ্রুপও এনসিটি পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে ডিপি ওয়ার্ল্ডের তুলনায় প্রতি কনটেইনারে বন্দরের জন্য ৫ ডলার বেশি রাজস্ব দিতে পারবে তারা। তবে এমজিএইচ গ্রুপের প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে
