Uncategorized

নারীজাতির আদর্শ প্রতিভূ সারদা দেবী

নারীজাতির আদর্শ প্রতিভূ সারদা দেবী ন র জ ত র আদর শ - ১৯ শতাব্দীর মধ্যভাগে ভারতীয় উপমহাদেশে ধর্ম ও জাতিভেদের প্রথা সহ নানা কুসংস্কারের মুখে পড়েছিল জাতীয়

Desk Uncategorized
Published July 20, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

নারীজাতির আদর্শ প্রতিভূ সারদা দেবী

ন র জ ত র আদর শ – ১৯ শতাব্দীর মধ্যভাগে ভারতীয় উপমহাদেশে ধর্ম ও জাতিভেদের প্রথা সহ নানা কুসংস্কারের মুখে পড়েছিল জাতীয় জীবন। ইংরেজ শক্তির দমিনী শাসন ও সংস্কৃতির আঁটি পাশাপাশি শোচনীয় অবস্থায় নারী জাতি আটকে রয়েছিল বাল্যবিবাহ, অকাল বৈধব্য ও কুশিক্ষা এমন অসংখ্য সমস্যার মধ্যে। এ যুগে নারীদের দুর্বিষহ অবস্থা ছিল সমাজের কাছে বিশেষ ভাবে চিহ্নিত হয়েছিল।

১৮৫৩ সালের ২২শে ডিসেম্বর পশ্চিমবঙ্গের বাকুড়া জেলার জয়রামবাটী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শ্রীমা সারদা দেবী। দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে তাঁর পিতা ছিলেন রামচন্দ্র মুখোপাধ্যায় এবং মাতা ছিলেন শ্যামাসুন্দরী দেবী। তিনি ছয় বছর বয়সে ১৮৫৯ সালে দক্ষিণেশ্বরের সাধক ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এ সময় ঠাকুর ছিলেন ২৪ বছর বয়স্ক।

সত্তার প্রতিভূ আবির্ভাব

১৮৬৭ সালে চৌদ্দ বছর বয়সে তিনি কামারপুকুর গ্রামে ঠাকুরকে প্রথম দর্শন করেন। ওই সময় ঠাকুর তাঁকে স্নেহে গ্রহণ করে ঐহিক ও পরমার্থিক জ্ঞানের প্রশিক্ষণ শুরু করেন। কামারপুকুরে তাঁর মা-বাবার সম্পূর্ণ দেখা হয়। পরবর্তী কালে ঠাকুর দক্ষিণেশ্বরে ফিরে যাওয়ার পর শ্রীমা তাঁর সাথে আবার জয়রামবাটীতে ফিরে আসেন।

“মা আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রত্যেক মেয়ের মধ্যে তিনি বিরাজ করেন, আমিও শিখে নিয়েছি প্রত্যেক মেয়েকে জননী হিসেবে দেখতে। এইভাবেই আমি তোমাকে দেখতে চাই, কিন্তু তুমি যদি আমাকে টেনে আনতে চাও, আমি তোমার কথা শুনবো, কারণ আমি তোমাকে মন্ত্রসাক্ষী রেখে বিয়ে করেছি।”

১৮৭২ সালে ১৮ বছর বয়সে শ্রীমা দক্ষিণেশ্বরে পৌছে যান। সে সময় তিনি নবযৌবনসম্পন্না হয়ে উঠেছিলেন। শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁর প্রতি এতটা ভালোবাসা প্রকাশ করেছিলেন যে তাঁর মনে করেছিলেন জগন্মাতার ঈপ্সিত কাজ তাঁর পর চালিয়ে নিয়ে যাবে। ঠাকুর শ্রীমাকে ঐহিক ও আধ্যাত্মিক ক্ষেত্রে শিক্ষা দিয়ে দিয়েছিলেন সাধনার ভার নিয়ে।

১৮৭২ সালের জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত কালিকাপূজার দিন ঠাকুর শ্রীমাকে ষোড়শী সম্পূর্ণ উপচারে পুজো করেন। শ্রীমা সেদিন অধিষ্ঠান করেছিলেন আলপনা আঁকা পিঁড়িতে বসন-অলঙ্কার সম্পূর্ণ সম্পন্না হয়ে। তাঁকে ‘ত্রিপুরেশ্বরী’ নামে সম্বোধন করে মন্ত্র পাঠ শুরু করেন ঠাকুর। এ সময় তাঁর চরণে সমর্পণ করেছিলেন নিজের সঙ্গে সাধনফল ও জপের মালাসহ সর্বস্ব।

শ্রীমার দ্বারা সাধনার চিন্তা ও বৈপ্লবিক প্রতিভা ছিল সে যুগে নারীদের প্রতি কেবল নয়, বরং জগতের প্রতি নিয়ে তিনি ছিলেন নূতন কল্যাণের প্রতিমূর্তি। ঠাকুর বলেছিলেন, ‘সারদা, সরস্বতী, জ্ঞান দিতে এসেছে।’ তিনি বলেছিলেন, ‘যে মা মন্দিরে আছেন, তিনিই এ শরীরের জন্ম দিয়েছেন ও এখন নহবতে বাস করছেন, আর তিনিই এখন আমার পদসেবা করছেন।’ শ্রীমাকে স্বয়ং ঠাকুর নির

Leave a Comment