ব্রুস লির মৃত্যুর অনুসন্ধান বাকি রয়েছে
অত র ক ত প ন প – ১৯৭৩ সালের ২০ জুলাই ব্রুস লি হংকংয়ে ছিলেন। সেদিন সকালে তিনি সাধারণ পরিবেশে শরীর চর্চা করেন, দুপুর থেকে সন্ধ্যাপর্যন্ত নানা কাজে আলোচনা করেন। একজন সহ-অভিনেত্রীর বাড়িতে গিয়ে তিনি সিনেমার প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনার পর মাথাব্যথা বোধ করেন, ব্যথানাশক দেখায় নেন। সে সময় ভেবেছিলেন, বিশ্রাম নিয়ে ক্লান্তি ক্ষীণ হবে। কিন্তু সেই ঘুম ভাঙেনি তাঁর জীবনের শেষ মুহূর্ত।
জন্ম ও প্রথম প্রতিক্রিয়া
১৯৪০ সালের ২৭ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোর চায়নাটাউনে জন্মগ্রহণ করেন এক রোগা শিশু। মাতার নাম রাখার চেষ্টা করেন ‘ইউমেন ক্যাম’, কিন্তু হাসপাতালের নার্স উচ্চারণ করতে পারেন নি। তাই জন্মসনদে নামটি লেখেন ‘ব্রুস লি’। তাঁর মা-বাবা আপত্তি করেননি কারণ নামটি তাঁদের পছন্দ।
আত্মপ্রকাশের প্রথম সময়
বাবা ছিলেন হংকংয়ের পরিচিত ক্যান্টনিজ অপেরা শিল্পী লি হুই চোয়েন। এক বছরের মধ্যে পরিবার তাঁকে হংকংয়ে নিয়ে আসেন। সেখানে তাঁর স্বাভাবিক হয়ে ওঠে ছায়াচিত্র প্রযোজনা ও কুংফু শিক্ষা। ছয় বছর বয়সে তিনি ‘দ্য বিগিনিং অব আ বয়’ ছবিতে অভিনয় করেন। সমালোচকদের মতে, সাত বছর বয়সে তাঁর দৃষ্টিতে বিশ্বাস ও শরীরী ভঙ্গিতে নিয়ন্ত্রিত ছিল সাধারণ কেউ নয়।
চা-চা প্রতিযোগিতায় তিনি কিশোর বয়সে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে অবতীর্ণ হন। সে নাচে পায়ের সূক্ষ্ম কাজ দেখানোর জন্য শরীরের ভারসাম্য প্রয়োজন ছিল। নানা জনপ্রিয় নাচের সঙ্গে তাঁর মার্শাল আর্টের সাংগতিক ভাষা যুক্ত হয়ে ওঠে।
যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসন একটি মারামারির ঘটনায় তাঁর মা আবার আতঙ্কে পড়েন। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর পরিবারের চিন্তা গভীর হয়ে ওঠে। এই পরিবেশে তাঁর মার্শাল আর্ট গুরুত্বপূর্ণ সূক্ষ্মতা যুক্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় তিনি আত্মরক্ষার জন্য অনুশীলনের মাধ্যমে কুংফু সাধনা করেন। নৃত্য আর মার্শাল আর্ট মিলেমিশে একটি নূতন পরিচয় গড়ে ওঠে তাঁর প্রতিযোগিতা ও যুদ্ধ শৈল্পিকতা।
মৃত্যু এবং স্মৃতি
যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসার পর তিনি বছরের পর বছর হংকংয়ে ২০টির বেশি ছবি অভিনয় করেন। অভিজ্ঞ শিক্ষককে হারানোর পর তাঁকে স্কুল বক্সিং দলে অন্তর্ভুক্ত করেন। সেই বছর তিনি আন্তর্জাতীয় টুর্নামেন্টে এক বছর ধরে অপরাজিত চ্যাম্পিয়নকে পরাজিত করেন। মৃত্যুর পর তাঁর স্বপ্নের সাফল প্রকাশ হয়।
১৯৭৩ সালে তাঁর মৃত্যুর সময় ছিল জুলাই মাস। তখন তিনি নতুন সিনেমার প্রস্তুতি চলছিল। পরবর্তী সময়ে টাইম ম্যাগাজিন তাঁকে বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। এই অভিজ্ঞতা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে
