ঢাকায় টাকা ঢেলেও জলাবদ্ধতা
ঢ ক য় ট ক ঢ ল – গতকাল রোববার সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানী ঢাকার কাজীপাড়ায় হাঁটুপানিতে জলাবদ্ধতা দেখা যাচ্ছিল। রাজধানীর পরিবার চালানোর জন্য মোটরসাইকেল চালানো সোহরাব সরদার মগবাজারে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল বিকল হয়ে গেছে। সোহরাব বলেন, “আজকে (গতকাল) আর কোনো ট্রিপ পামু না।”
অন্তর্বর্তী সরকারের দাবি এবং আগের প্রকল্প
ঢাকা কার্যত ডুবে গিয়েছিল। বিকল হয়ে পড়েছিল অনেক এলাকার সড়কে গাড়ি। কিছু মানুষের ঘরে পানি ঢুকেছে। বৃষ্টির পর প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের উদ্যোগে পরীক্ষা স্থগিত করেছিল। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন (২০১৭ সালে) এবং ঢাকা দক্ষিণের তৎকালীন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস (২০২৩ সালে) বলেছিলেন যে অতিবৃষ্টির কারণে জলজট হতে পারে কিন্তু জলাবদ্ধতা হয়নি বলে অনেক দাবি করা হয়।
ঢাকা ওয়াসা এবং দুই সিটি করপোরেশনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায় যে ২০২৪ সালের পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকার নালা নির্মাণ ও সংস্কার, খাল পরিষ্কার এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে কমপক্ষে ২১৪৬ কোটি টাকা খরচ করেছে। কিন্তু এতে জলাবদ্ধতা বাড়েনি। ২০২৫ সালে কত খরচ হয়েছিল তা বর্তমানে জানা নেই।
নালা বন্ধ হওয়া ও জলজট
নগর-পরিকল্পনাবিদদের মতে, জলাবদ্ধতার কারণ দুটি। প্রথমত, পানি নেমে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট পথ নেই। দ্বিতীয়ত, খালগুলো অনেকাংশে বেদখল এবং আবর্জনায় ভরা। যে নালা দিয়ে পানি নেমে যাবে, সেগুলো বালু ও আবর্জনার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান গতকাল কাজীপাড়ায় পরিস্থিতি দেখেন। তিনি বলেন, যত্রত্র ময়লা ফেলায় নালার সংযোগ বন্ধ হয়ে অধিকাংশ জলজট তৈরি হচ্ছে। এর আগে তিনি বিমানবন্দর সড়ক এবং মিরপুর সহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পানিপ্রবাহ সচল রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। রোববারের পরিস্থিতি দেখিয়েছে যে তার প্রস্তুতি যথেষ্ট ছিল না।
বৃষ্টি ও পানি সংগ্রহ
আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাবে, শনিবার রাতে এবং গতকাল দিনের প্রথম
