কখনোই কোনো সিন্ডিকেটের অংশ ছিলাম না
নাটকের পরিবর্তন আর অভিনয়ের চ্যালেঞ্জ
কখন ই ক ন স ন ড – চরকির ওয়েব ফিল্ম ‘লাইফলাইন’-এ বিদ্যা সিনহা মিম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যার জন্য সমালোচনা এবং প্রশংসা সৃষ্টি হয়েছে। সেই আগে ঈদে চার বছর পর তিনি ‘মালিক’ সিনেমার মাধ্যমে প্রেক্ষাগৃহে ফিরেছেন। নির্মাণের সমালোচনা হলেও অভিনয়ের দিকে স্বাভাবিক হওয়ার সাথে সাথে সমালোচনা এবং প্রশংসার মধ্যে তিনি কী ভাবে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন, তা নিয়ে নাজমুল হক সাক্ষাৎকারের সম্মুখে এসেছেন।
‘অনন্যা’ চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলা বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। মেয়েটি কখনো গ্রামে বা এমন দুর্গম জায়গায় যায়নি, এটাই তাঁর প্রথম যাওয়া। এই ধরনের পরিস্থিতিতে পড়লে একটি মেয়ের মানসিক অবস্থা কেমন হয়—বিপদে পড়া, ঝামেলার সম্মুখীন হওয়া বা কী করতে হবে বুঝতে না পারা—সবকিছু নিয়ে একটা মানসিক প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। শুটিং স্পটে গিয়ে যদি সত্যিই কোনো কষ্টের মধ্য দিয়ে যাই; সেটার ছাপ আমার চেহারায় ফুটে ওঠে। দুর্গম রাস্তা দিয়ে বাইকে করে যাওয়ার সময় বা ওই লোকেশনগুলোতে কাজ করার সময় আমার মনে হচ্ছিল আমি আসলেই বিপদের মধ্যে আছি। প্রথম প্রথম ওই দুর্গম রাস্তায় বাইকে চড়তে বেশ ভয় লেগেছিল, মনে হচ্ছিল এই বুঝি পড়ে যাব। তবে একদিন শুটিং করার পর পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছিলাম। পর্দার বাইরের বাস্তব অভিজ্ঞতাই পর্দায় আমার অভিনয়কে আরও স্বাভাবিক করে তুলেছে।
অভিনয়ের সমালোচনা এবং ইন্ডাস্ট্রির পরিবর্তন
বিদ্যা সিনহা মিম জানান, এটা খুবই স্বাভাবিক যে আমরা অনেক কাজ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে করি, কিন্তু সব সময় তো আর মনমতো হয় না। যখন একটা কাজ ঠিকঠাক হয় না, তখন খারাপ তো লাগেই। তবে এসব নিয়ে পড়ে থাকলে চলে না। সব সময় চেষ্টা করি ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে পরবর্তী কাজে আরও মনোযোগী হতে। আমি এখন কাজ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সচেতন। অনেক গল্প পছন্দ হলেও যদি দেখি নির্মাতা সবটা ঠিকঠাক পর্দায় তুলে আনতে পারবেন না, তখন সেই কাজ করি না। অনেক সময় ভালো পরিচালকের কাজও দর্শকের পছন্দ হয় না, কারণ হয়তো তাঁরা পুরো বিষয়টা ঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারেন না। তাই এখন আমি কোনো প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার আগে চিন্তা করি যে এর আউটপুট আসলে কেমন হবে। কিন্তু দেখা যায়, পরিকল্পনায় যা শুনি, বাস্তবে তার খুব সামান্যই পাওয়া যায়। শতভাগের ১০ ভাগও অনেক সময় বাস্তবায়িত হয় না। শিল্�
