ঋণের বদলে বিনিয়োগে ঝুঁকছে ব্যাংকগুলো, আদায় বেশি, বিতরণ কম
ঋণ র বদল ব ন য় গ – বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেসরকারি খাতে ঋণ র বদল ব ন য় গ – দেশের ব্যাংকগুলি ঋণ বিতরণ হার কমিয়ে বিনিয়োগ সম্পর্কে ঝুঁকছে। গত মার্চ পর্যন্ত ঋণ প্রবৃদ্ধি হার ৪.৭২ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ২০০৩ সালের পর সর্বনিম্ন। আগের মাসগুলোতে ঋণ বৃদ্ধি ছিল ৬.০৩ শতাংশ, যা নভেম্বর ও ডিসেম্বরে যথাক্রমে ৬.৫৮ ও ৬.২০ শতাংশ ছিল। প্রতিবেদনে একটি বিষয় উঠে এসেছে যে, ঋণের চাহিদা কমে গেছে এবং ব্যাংকগুলি ঋণ র বদল ব ন য় গ করে বিনিয়োগে ঝুঁকছে। এই পরিবর্তনের পিছনে রাজনৈতিক অস্থিরতা, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের আকারে গতি কমেছে রয়েছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও শিল্পে বিনিয়োগে স্থবিরতা কারণে ঋণপ্রবাহ স্থগিত হয়েছে। এ অবস্থায় ব্যাংকগুলি আদায় বেশি করছে যাতে ঋণ র বদল ব ন য় গে সুবিধার সাথে পুনঃপূর্তি সম্ভব হয়।
ঋণ বিতরণ হারের কমে যাওয়া ও আদায় করা ক্ষমতা
গত দুই মাসে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি হার আগের মাসগুলোতে তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম হয়েছে। কারণ বৈশ্বিক চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে ব্যাংকগুলি ঋণ র বদল ব ন য় গে আদায় করার জন্য বেশি ঝুঁকছে। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার এবং ব্যাংকগুলি প্রতিবেদন অনুযায়ী ঋণ বিতরণ নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা বোঝেছে। এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পিছনে অনুমান হচ্ছে যে ঋণপ্রবাহ অস্থিরতার কারণে নতুন ঋণ দেওয়ার জন্য ব্যাংকগুলি সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।
ব্যাংকগুলি এখন ঋণ বিতরণের চেয়ে বেশি আদায় করছে কারণ আর্থিক পরিস্থিতি এবং বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের প্রতিক্রমণ প্রভাব ফেলছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঋণের চাহিদা কমে গেছে যেহেতু আমদানি নিয়ন্ত্রণ, শিল্প খাতে বিনিয়োগে স্থবিরতা এবং মূল্যস্ফীতি অবস্থার কারণে ঋণ প্রবাহ স্থায়ী হয়ে উঠেছে। এই গতি কমে যাওয়া সূত্রে ব্যাংকগুলি বিনিয়োগে সম্পর্কে ঝুঁকছে এবং আদায় করার মাধ্যমে সুবিধার সাথে ক্ষমতা বৃদ্ধি করছে।
বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতা এবং আমদানি নিয়ন্ত্রণ প্রায় সকল ব্যাংকের আদায় করা ক্ষমতা প্রভাবিত করছে। ঋণ র বদল ব ন য় গে আদায় করার মাধ্যমে ব্যাংকগুলি সুদ ও অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করছে। বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি হার আগামী জুন পর্যন্ত সাড়ে ৮ শতাংশের উপর ভিত্তি করে লক্ষ্য করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে এটি অনেকটা কমে গেছে।
