Uncategorized

ইসরায়েলের হাজার দিনের যুদ্ধ ও হামাসের কৌশল

গাজার বিধ্বংসী যুদ্ধ ও হামাসের কৌশল ইসর য় ল র হ জ র - গাজায় চলমান ইসরায়েলি গণবিধ্বংসী যুদ্ধ এখন হাজার দিনের বেশি চলছে এবং যুদ্ধবিরতির সতর্কবার্তা অসাড় করে

Desk Uncategorized
Published July 15, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

গাজার বিধ্বংসী যুদ্ধ ও হামাসের কৌশল

ইসর য় ল র হ জ র – গাজায় চলমান ইসরায়েলি গণবিধ্বংসী যুদ্ধ এখন হাজার দিনের বেশি চলছে এবং যুদ্ধবিরতির সতর্কবার্তা অসাড় করে পরিস্থিতি আরও আগামী হারাচ্ছে। নিশ্চিন্ত হামলা ও মৃত্যু কার্যত অবসান হয়নি। আপনার প্রাণ হারিয়েছে গাজার মানুষ কার্যত শিশুদের বেশি সংখ্যক। তার পরিবর্তে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

ফিলিস্তিনি নেতৃত্ব হামাস কেন গাজায় ক্ষমতা ত্যাগ করছে এটি বিশেষ বিশ্লেষণের প্রয়োজন। বিশ্ব বিধ্বংস পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে কোন অভিযোগ আছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা অনুযায়ী কমিটি গাজার প্রশাসনে হামাসের দায়িত্ব ছাড়া হবে। গত সপ্তাহে এই কমিটি গঠিত হয়েছে যার নাম ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজা বা এনসিএজি। এটি মূলত ফিলিস্তিনি বিশেষজ্ঞদের দ্বারা গঠিত একটি অন্তর্বর্তী সংস্থা।

যুদ্ধবিরতি কার্যত ফিলিস্তিনি আপত্তি ছাড়া কার্যকর হয়নি। দীর্ঘ সময়ে প্রাণ হারিয়েছে গাজার বিধ্বংসে প্রায় ৭৩ হাজার মানুষ, যার মধ্যে শিশুদের প্রায় ২১ হাজার অন্তর্ভুক্ত। ইসরায়েল হামাসের প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণ করার জন্য এনসিএজিকে কোন সম্পদ বা সহায়তা দেয়নি। তারা কায়রোয় আটকে আছে। গাজায় প্রবেশের অনুমতি ছাড়া সেনা প্রত্যাহার করতে চায় না ইসরায়েল।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাঁর সেনাবাহিনীকে গাজার বেশি অংশ দখলে নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ জানিয়েছেন, গাজার নিরাপত্তা অঞ্চলগুলোতে সেনা অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে। কারণ তারা কোন সময়সীমা ছাড়া প্রত্যাহার করতে চায় না।

আন্তর্জাতিক মহল এখন সর্বাপেক্ষা গাজার অবস্থার কথা ভুলে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত ও তাদের সমঝোতা আন্তর্জাতিক আলোচনার প্রান্তে নিয়ে গেছে। অন্যান্য শক্তি গাজার দিকে নজর ফেরাচ্ছে না। তবে এনসিএজি গাজায় ঢুকতে পারে বলে সামান্য আশা নেই। ইসরায়েল পরিপন্থী করেছে এই কমিটি গঠন প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া।

এনসিএজি গঠন করার পর থেকে একটি আশা রয়েছে যে তা হামাসের নিরস্ত্রীকরণে সহায়তা করবে। কিন্তু সে প্রসঙ্গে হামাস অবশ্য স্পষ্ট বলেছে, অস্ত্র ছাড়া হবে তখনই যখন ইসরায়েল গাজা থেকে পুরোপুরি সরে যাবে। বোর্ড অব পিস কমিটি আগে থেকে সামরিক ক্ষমতা তুলে দেওয়া কার্যকর হয়নি। তারা অবশ্য ঘোষণা করেছে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য ইউনরার ভূমিকা কমবে।

Leave a Comment