Uncategorized

আলোচনায় এআই দিয়ে বানানো প্রাপ্তবয়স্কদের সিনেমা

আলোচনায় এআই দিয়ে বানানো প্রাপ্তবয়স্কদের সিনেমা কানে নেপালের ইতিহাস আল চন য় এআই দ য় ব - ১৯৭৬ সালে এক তরুণী হান্না প্রাপ্তবয়স্কদের একটি ম্যাগাজিনের ফটোশুটে

Desk Uncategorized
Published May 24, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

আলোচনায় এআই দিয়ে বানানো প্রাপ্তবয়স্কদের সিনেমা

কানে নেপালের ইতিহাস

আল চন য় এআই দ য় ব – ১৯৭৬ সালে এক তরুণী হান্না প্রাপ্তবয়স্কদের একটি ম্যাগাজিনের ফটোশুটে অংশ নেন। সেই সময় তাঁর কিছু ছবি প্রকাশিত হয়েছিল। অর্ধশতক পরে এআই প্রযুক্তির সাহায্যে সেই ছবিগুলো নতুন ভিডিওতে রূপান্তরিত হয়েছে; সাথে শব্দ এবং সংলাপও যুক্ত করা হয়েছে।

বিশেষ করে মাল্টিফরম্যাটের থমাস মেইয়ার নিজের প্রযুক্তিগত দক্ষতার মাধ্যমে নিয়োগ করেছেন সত্তরের দশকের পুরোনো ছবিগুলো। সম্পূর্ণ ভিডিও রচনা করা হয়েছে বিভিন্ন সময়ে স্থির চিত্রগুলো ব্যবহার করে। সেই সময়ের সম্পর্ক ও যৌনতার নানা প্রসঙ্গ প্রকাশ করা হয়েছে এটি দিয়ে।

অন্য একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি ‘আফটার–মুভি পার্টি’ তৈরি করা হয়েছে সেই আবহে। গভীর রাতে সিনেমা দেখা শেষে দুই দম্পতির ব্যক্তিগত মুহূর্ত দেখানো হয়েছে। বিশেষ করে শেভড নামের এই প্রকল্প সংকলনে প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে প্রদর্শিত হয়েছে কান উৎসবে। এটি পরবর্তীতে কাল্টপিক্স নামে একটি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মেও মুক্তি পায়।

সত্তরের দশকের তথাকথিত ‘পর্ন ফাঙ্ক’ সংগীত দিয়ে শুরু হয় গল্প; ভারী বেজ ও ইলেকট্রিক গিটারের রিফ প্রযুক্তি প্রকাশ করে এই সংগীতে। তারপর অনেক দর্শকের মতে এআই দিয়ে পুরোনো ছবি এত বাস্তবসম্মত ভিডিওতে পরিণত করা বিস্ময়কর। মুখের অভিব্যক্তি ও পোশাক–পরিচ্ছদ পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে।

প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট রয়েছে। কিছু দৃশ্যে কৃত্রিম ভিজ্যুয়ালের স্পষ্টতা ধরা পড়ে; কোথাও কোথাও মানুষের ত্বক বা অবয়ব প্লাস্টিকের মতো দেখায়। তবে সংকলনটি সম্পূর্ণ প্রযুক্তিগত পরীক্ষা বলে মনে করছেন কেউ কেউ, কেউ কেউ এটিকে নৈতিকতা ও নস্টালজিয়ার চিন্তা হিসেবে দেখছেন।

এআই ব্যবহারের মাধ্যমে পুরোনো আর্কাইভ ছবি ও ভিজ্যুয়াল উপাদান নতুনভাবে পুনর্নির্মাণের সম্ভাবনা বিশেষজ্ঞদের মতে ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পাবে। সেই সাথে উঠে আসছে নৈতিক প্রশ্নও। কতটা গ্রহণযোগ্য মানুষের পুরোনো ছবি নতুন পটভূমিতে ব্যবহার করা হবে, সেই বিতর্কটি জোরালো হচ্ছে।

Leave a Comment