‘আমি কোনো প্রকল্প নারী বা পুরুষকেন্দ্রিক হিসেবে দেখি না’
আম ক ন প রকল প ন – প্রিয়দর্শনের ছবি ‘ভূত বাংলা’ দর্শকদের আকর্ষণ করেছে। ছবিতে অভিনেতা যীশু সেনগুপ্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। কলকাতার নিয়ন্ত্রণ প্রতিনিধি দেবারতি ভট্টাচার্য মুম্বাইয়ে একতা কাপুরের বাংলোয় তাঁর সাথে আড্ডা দিয়েছেন ছবির সমালোচনা ও প্রযোজনার বিষয়ে।
যীশু বাংলা, হিন্দি ও তেলেগু ভাষার ছবিতে সংগ্রাম করেন। সাধারণত তাঁকে ‘প্যান ইন্ডিয়া তারকা’ বলা হয়। কিন্তু তাঁর কাছে এটি স্বীকৃতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
‘এ ধরনের ট্যাগে আমি খুব একটা বিশ্বাস করি না। আমি শুধু একজন অভিনেতা, অভিনয় করাটাই আমার কাজ। তবে এসব শুনতে খারাপও লাগে না,’ বলেন যীশু।
তিনি বলেন, ‘হিন্দি, তেলেগু বা বাংলা—যে প্রজেক্ট ভালো লাগে, সেটাই করি। এ বছরই দুটি বাংলা ছবিতে কাজ করেছি, আরও করার ইচ্ছা আছে।’ ছবির অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বাংলা সিনেমার মান নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তার প্রতি যীশু বিরোধিতা মনে করেন। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি না বাংলা ছবির মান কমে গেছে। আমরা নিয়মিত জাতীয় পুরস্কার পাই। আর জাতীয় পুরস্কার তো টাকা দিয়ে কেনা যায় না।’
বলিউডে নারীকেন্দ্রিক ছবি করার ক্ষেত্রে তাঁকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু তিনি বিষয়টি খুব গুরুত্ব দিতে নারাজ নন। তাঁর মতে, ‘চরিত্রের গুরুত্বটাই আসল। আমি কোনো প্রকল্প নারী বা পুরুষকেন্দ্রিক হিসেবে দেখি না, দেখি চরিত্রটা গল্পের জন্য কতটা জরুরি।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমার চরিত্র বাদ দিলে যদি গল্প এগোয়, সেই কাজ করি না। আর না এগোলে ছোট ভূমিকাতেও করি। নায়ক-খলনায়ক ভেবে নয়, ভালো লাগার জায়গা থেকে কাজ বেছে নিই।’
মুম্বাইয়ে যীশু কাজের জন্য কলকাতার প্রতি অটুট টান রেখেছেন। তিনি বলেন, ‘সুযোগ পেলেই কলকাতায় যাই। বন্ধুদের খুব মিস করি। ওরা আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’
ছবিটি নিয়ে বলেন, ‘অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে কাজ করা আমার কাছে বড় সৌভাগ্যের। কাজল, বিদ্যা বালান, রানী মুখার্জি, সুস্মিতা সেন, টাবু, বিপাশা বসু—প্রতিটি প্রজেক্টই ছিল শেখার জায়গা।’
