আকু বিল পরিশোধের পর কমেছে রিজার্ভ
আক ব ল পর শ ধ র – বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষণা করেছে যে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় হ্রাস পেয়েছে। সর্বমোট রিজার্ভের পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলারে যা প্রথমবারের মত প্রকাশ করা হয়েছে। ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ হিসাবে তা হয়েছে ২৭ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলার। এ সময় আক বিল পরিশোধের ফলে দেশের আন্তর্জাতিক লেনদেন ব্যবস্থা সংকটে পড়েছে।
আক বিল পরিশোধের প্রভাব সম্পর্কে বিশ্লেষণ
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, রিজার্ভের হিসাব করা হয় মোট রিজার্ভ থেকে সব ধরনের দায়দেনা বাদ দেওয়ার পর। এ হিসাবে আকু বিল পরিশোধের কারণে বৈদেশিক মুদ্রা তহবিল হ্রাস পেয়েছে ৩১ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলারে। এ পরিবর্তন বাংলাদেশের আর্থিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলেছে।
“মে-জুন মাসে আমাদের আকু বিল পরিশোধের জন্য ১ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়েছে।”
আকু বিল পরিশোধ ঘটনার পর রিজার্ভের কমতি বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নীতি বা মুদ্রা নীতির বিষয়ে আলোচনা করেছেন খান। তিনি জানান যে এই হ্রাসের কারণ হলো আক বিল পরিশোধের বৃদ্ধি। এ কারণে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় হ্রাস পেয়েছে। যার ফলে দেশের আন্তর্জাতিক লেনদেন ব্যবস্থা হ্রাসে পড়েছে।
আকু সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ
আকু হলো এশিয়ার কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক লেনদেন ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে আক বিল পরিশোধের সময় বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চয় কমিয়ে আসা হয়। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক লেনদেন সুবিধাজনক হয়। আকু দ্বারা পরিচালিত প্রক্রিয়া বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক লেনদেনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পরিচিত।
আকু সদস্যদেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান এবং মালদ্বীপ। এই সংস্থার মাধ্যমে দেশগুলোর মধ্যে আমদানি-রপ্তানি লেনদেন করা হয়। আক বিল পরিশোধের পর বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় কমেছে বলে প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষণায় এই কমতির কারণ হলো আকু বিল পরিশোধের বৃদ্ধি।
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক লেনদেন প্রক্রিয়া নিষ্পত্তি করার জন্য আক বিল পরিশোধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমি�
