১০ দফা দাবিতে ভোলায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে
৫ য ত র বহন র অন – চরফ্যাশন-লালমোহন উপজেলার সিএনজিচালিত অটোরিকশা, অটোটেম্পো, মিশুক এবং বেবিট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা-কর্মীদের প্রাপ্ত স্মারকলিপি দেওয়ার পর ভোলার প্রেসক্লাব সামনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসকের কাছে তাদের দাবি বিষয়ে আলোচনা চালানো হয়েছে।
শ্রমিকদের দাবি কী কী?
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পরিবহন ফেডারেশনের চরফ্যাশন শাখার সহসভাপতি মো. বাহারুল ইসলাম, শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, সহসাধারণ সম্পাদক নুরে আলম এবং দপ্তর সম্পাদক মো. হাসান।
চরফ্যাশন-ভোলা সড়কে বাস মালিক সমিতির লোকজন যাত্রী ছিনিয়ে নেওয়া, সিএনজির আসন কেটে ফেলা, গাড়ি ভাঙচুর ও চালকদের মারধর করছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। সমস্যার তদন্ত ও বিচার দাবি করা হয়।
বাস মালিকদের দাবি বাস্তবায়নের সুযোগ আছে কি?
স্মারকলিপিতে পাঁচ যাত্রী বহনের অনুমতি, শ্রমিকদের হয়রানি বন্ধ, আহত চালকদের চিকিৎসা প্রদান, ক্ষতিগ্রস্ত সিএনজির ক্ষতিপূরণ, নির্ধারিত স্ট্যান্ড নির্মাণ এবং আইন অনুযায়ী চলাচলের অধিকার নিশ্চিতকরণ সহ ১০টি দাবি জানানো হয়।
গ্রামীণ এলাকায় পরিবারের জন্য যাতায়াতের কারণে পাঁচ যাত্রী বহনের প্রয়োজন হয়। পাশাপাশি গ্যাসের দাম বেশি হওয়ায় তিন যাত্রী নিয়ে গাড়ি চালিয়ে লোকসান হচ্ছে বলে দাবি করেন সেলিম।
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাস মালিক সমিতি
ভোলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম খান বলেন, সমিতির কোনো সদস্য সিএনজিচালকদের মারধর বা গাড়ি ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত নন। তিনি যুক্তি দেন যে বিআরটিএর বিধি অনুযায়ী একটি সিএনজিতে তিন যাত্রী বহনের অনুমতি রয়েছে। অনেক চালক পাঁচ যাত্রী বহন করছেন, যা আইনবহির্ভূত।
ভোলা জেলা প্রশাসক শামীম রহমান জানান, সিএনজিচালিত অটোরিকশার শ্রমিকদের দেওয়া দাবির স্মারকলিপি গ্রহণ করা হয়েছে। দাবি গুলি আইনগতভাবে বাস্তবায়নের সুযোগ রয়েছে কি না, তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
