৪০ মিনিটের পথ যেতে ৫ ঘণ্টা, সড়কে যা দেখা গেল
যাত্রা সম্পন্ন করতে বাধ্য হয়েছেন বাউল শাহ আবদুল করিমের গান শুনে থাকা চট্টগ্রাম নগরের বাসিন্দারা
৪০ ম ন ট র পথ য – ঈদের ছুটিতে আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম নগর থেকে রাউজান পর্যন্ত যাওয়া যাত্রীদের জন্য সাধারণত সময় লাগতো কেবল ৪০ মিনিট। কিন্তু আজ তাদের দুর্দশা ছিল মূলত সড়কে বসানো পশুর হাটের কারণে। যানবাহনের অনিয়ম এবং সড়কের অব্যবস্থা সম্পর্কে কেউ মুহূর্তেই বলেন না বিশেষ কিছু নেই। তবে ঈদের ছুটিতে সেই পথে গেলে সময় বাড়তি করেছে অনেক বেশি।
‘গাড়ি চলে না, চলে না, চলে না রে’—চট্টগ্রাম নগরের অক্সিজেন থেকে রাউজান যেতে যেতে বারবার মনে পড়ছিল বাউল শাহ আবদুল করিমের এই গান।
সকালে বৃষ্টির ঝড়ঝাপ ছিল চট্টগ্রামে। দুপুরের আগে পানি ছেড়ে যাত্রীরা বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হতে শুরু করেন। সবার মতো হুড়োহুড়ি করে বেলা আড়াইটার আগে অক্সিজেন থেকে একটি বাসে উঠে পড়ি। সহকারী ভাড়া নিয়ে যাত্রীদের কেউ প্রশ্ন তুলেন না। মুহূর্তেই বাসটি ভর্তি হয়ে গেল। অন্য সময়ে রাউজানের ভাড়া ছিল ৬৫ টাকা, গহিরার ৫৫ টাকা এবং হাটহাজারীতে ৪০ টাকা। আজকাল ক্রমে রাউজানের ভাড়া ৭০ টাকা হয়েছে, গহিরার ৬০ টাকা এবং হাটহাজারীতে ৫০ টাকা হয়েছে।
বেলা ঠিক আড়াইটায় বাস ছাড়ল। শুরুতে সব স্বাভাবিক মনে হচ্ছিল। কিন্তু আমানবাজার এলাকায় পৌঁছতেই দৃশ্য বদলে গেল। সড়কের পাশে বসানো পশুর হাটের কারণে গাড়িগুলো স্থবির হয়ে পড়েছিল। সামনে গাড়ির সারি। চোখ যায় যত দূর হোক না কেন, শুধু গাড়ি আর গাড়ি।
সড়কের ওপর ছড়িয়ে বসেছে পশুর হাট। বড়দীঘির পাড় পেরোতেই একটি ছোট হাট ছিল। সেখানে দরদাম চলছে। ক্রেতারা বিক্রেতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দর-কষাকষিতে। বাসের ভেতরে গরম হাওয়ায় জানালা বন্ধ করলে দম বন্ধ হয়ে আসছিল। জানালার বাইরে ভ্যাপসা গরম বাতাস ছিল। শিশুদের কান্নায় প্রতিটি মুহূর্ত দীর্ঘ হয়ে ধরা দিচ্ছিল।
গাড়ির ভেতরে যাত্রীদের অপেক্ষার সময় বেড়ে গেছে। মাঝেমধ্যে বাস গতি পেলে যাত্রীদের মুখে আশার আলো দেখা গেল। কিন্তু কয়েক গজ এগিয়ে আবার থেমে যায়। বড়দীঘির পাড় থেকে ফতেয়াবাদ পর্যন্ত ছিল মূল যানজট। চৌধুর�
