কোরবানির সওয়াব দুই আমলে মিলবে
২ আমল ম লব ক রব ন – সমস্ত নবীদের অনুসারীদের জন্য কোরবানি একটি বিধান ছিল। এটি আল্লাহর প্রিয় আমল হিসেবে পরিচিত। রাসুল (সা.) বলেন, ‘কোরবানির দিন মানুষের কোনো আমল আল্লাহর কাছে কোরবানি অপেক্ষা অধিক প্রিয় নয়। কেয়ামতের দিন কোরবানির পশু তার শিং, লোম ও খুরসহ উপস্থিত হবে। আর তার রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই আল্লাহর নিকট বিশেষ মর্যাদায় পৌঁছে যায়। সুতরাং তোমরা আনন্দচিত্তে কোরবানি করো।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ১৪৯৩)
কোরবানি করার সময় চুল ও নখ কাটা বাতিল
জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার পর থেকে কোরবানি সম্পন্ন করা পর্যন্ত চুল ও নখ না কাটা মোস্তাহাব। নবীজি (সা.) বলেন, ‘যার কাছে কোরবানির পশু রয়েছে, সে যেন জিলহজের চাঁদ দেখার পর থেকে কোরবানি করা পর্যন্ত তার চুল ও নখ না কাটে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৯৭৭)
কোরবানির সওয়াব প্রাপ্ত হতে পারে অনেকের কাছে
এ আমলের মাধ্যমে কোরবানির সওয়াব অর্জনের আশা রয়েছে না কেবল কোরবানিদাতাদের কাছে সে কাজটি সম্পন্ন করার সামর্থ্য নেই ব্যক্তিদের কাছেও। এ বিষয়টিও হাদিসে এসেছে। একদিন নবীজি (সা.) বললেন, ‘নিশ্চয় জুমার দিন সমস্ত দিনের সর্দার। এটি আল্লাহর নিকট ইদুল ফিতর ও ইদুল আজহার চেয়েও মর্যাদাপূর্ণ।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস: ১৫৫৪৮)
