হিমাগারে আলু সংরক্ষণ ভাড়া কেজিতে ৫ টাকা করার দাবি, আন্দোলনের হুমকি
হ ম গ র আল স রক – হিমাগারে আলু সংরক্ষণ ভাড়া তিন বছরে দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময়ে কৃষকদের উৎপাদিত আলুর দাম তেমন বাড়েনি। এ অবস্থায় আলু চাষি ও অংশীজনদের সংগঠন প্রধানমন্ত্রীর পার্টনার প্রকল্পের আওতায় গঠিত ‘ভ্যালু চেইন প্রমোশনাল বডি’ হিমাগার ভাড়া কেজিতে পাঁচ টাকা নির্ধারণের দাবি জানায়।
রোববার বিকেল পাঁচটার দিকে বগুড়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি ব্যক্ত করেন সংগঠনের সভাপতি ছামিউল ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রায় ৪২টি জেলায় আলু উৎপাদিত হয়। বগুড়া, মুন্সিগঞ্জ, জয়পুরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, চাঁদপুর, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট ও রাজশাহী জেলা আলু চাষের জন্য পরিচিত। এসব অঞ্চলে উৎপাদিত আলু দেশের বাইরে রপ্তানি এবং সারা দেশে বিক্রি করা হয়।
খরচ প্রতি কেজি আলুর সঠিক পরিমাণ কম হলেও হিমাগার মালিকদের দ্বারা সংরক্ষণ ভাড়া দফায় দফায় বৃদ্ধি করা হয়েছে। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের আইন ২০১৮-এর ধারায় প্রস্তাব প্রদত্ত ক্ষমতার ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ২ মার্চ হিমাগার ভাড়া কেজিতে ৭ টাকা ৭৫ পয়সা হিসাবে বৃদ্ধি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, কৃষকের খরচ প্রতি কেজি আলু উৎপাদনে ১৩ টাকা, পরিবহন ও শ্রমিক খরচে দুই টাকা ৫০ পয়সা এবং বস্তার খরচ দুই টাকা ৫০ পয়সা। সব জুড়ে হিমাগার ভাড়া যোগ করলে প্রতি কেজি আলুর মোট খরচ পড়ে প্রায় ২৫ টাকা। কিন্তু কৃষক এ চেয়ে কম দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে আলু পচনশীল কৃষিপণ্য এবং সঠিকভাবে সংরক্ষণে হিমাগারের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নেই। এ জন্য কোল্ডস্টোরেজ মালিকদের সংগঠন বিনা কারণে ভাড়া বৃদ্ধি করে। ২০২৩ সালে ভাড়া প্রতি বস্তা আলুর কেজিতে ৪০ টাকা থেকে দ্বিগুণের বেশি হয়ে প্রতি বস্তা ২৮০ টাকা হয়। ২০২৪ সালে আরেক দফায় ভাড়া বৃদ্ধি করে প্রতি বস্তা আলুর সংরক্ষণে ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ২০২৫ সালে তা কেজিতে ৫ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৮ টাকা হয়। ফলে প্রতি বস্তা আলুর সংরক্ষণ ভাড়া একলাফে ৫২০ টাকা হয়েছে।
এ অবস্থায় আলু চাষিরা আন্দোলনের হুমকি দিয়েছে। সাত দিনের মধ্যে ভাড়া কেজিতে ৫ টাকা নির্ধারণ করা না হলে প্রতিটি উপজেলায় কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি পালন করবে। এ
