বিজিবি কর্মকর্তাদের হামলার অভিযোগে মামলা দায়ের
হ মল কর ব জ ব র – ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় বিজিবি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় বিএনপির নেতা এবং কর্মীদের সহ মোট ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
গত রোববার রাতে কসবার সালদা বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার মো. মাসুদ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। কসবা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. নূরুল আমিন বলেন, বিজিবি সদস্যরা চোরাচালান রোধের মাদক উদ্ধার অভিযানে বাসমতী চালের ট্রাক আটক করেছেন। তিনি যোগ করেন, ট্রাকটি ভারত সীমান্তের কাছে অবৈধভাবে আনা পণ্যের জন্য ঘেরাও করা হয়।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, নয়নপুর এলাকার চোরাকারবারি সাইদুল হক, আল আমিন মিয়া, হুমায়ুন মিয়া এবং শরিফ মিয়া সরকারি কর ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে ভারতীয় বাসমতী চাল আনে। ট্রাকটি কসবার নয়নপুর বাজারের পূর্ব পাশে পাকা রাস্তায় অবস্থান করছিল।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির সদস্যরা জানতে পারেন যে মাদলা, খাদলা ও মইনপুর বিওপি থেকে এক প্লাটুন বিজিবি কর্মকর্তা নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আসামিদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু হামলার ঘটনার কারণে সদস্যরা ঘটনাস্থল ছাড়তে হয়।
আহত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সংঘর্ষ ঘটে
এজাহার বর্ণনা অনুযায়ী, আসামিদের উসকানি ও হুকুমে সদস্যরা লোহার রড, রামদা ও কিরিছ নিয়ে বিজিবি কর্মকর্তাদের হামলা চালায়। এতে ল্যান্স নায়েক দিদার হোসাইন, সিপাহি মো. ফেরদাউস, মো. ইমাম, মো. তারেক ও মো. মোস্তাফিজ আহত হন।
‘আমি এই ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত না। আমাকে বিনা করণে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে। যদি আমার সম্পৃক্ততা প্রমাণ করতে পারে, তাহলে প্রচলিত আইনে আমার বিচার হবে।’ বলেন বায়েক ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন।
তার মন্তব্যে প্রসঙ্গে তিনি যোগ করেন, ‘আমি কোন পথ দিয়ে এই পণ্য আনে বলতে পারব না। আমি এই ব্যবসা করি না।’
তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল মোনাফ বলেন, এ ঘটনায় বিজিবি কর্মকর্তাদের আহত করে চোরাচালান পণ্যবোঝাই ট্রাক ছিনতাই করা হয়েছে। অভিযানটি অব্যাহত রয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য চলছে।
