হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে ‘কোটি টাকা ডিলের’ অভিযোগ তোলা ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা
হাতিয়া উপজেলার ঘটনা
হ ন ন ন ম সউদ র – নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের এক নেতার বাড়িতে হামলা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে নয়টার দিকে বুড়িরচর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাগরিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার শিকারী ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আবদুল গাফফার ওরফে জিসান। তিনি আবদুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে কোটি টাকার প্রস্তাবের অভিযোগ তুলেছিলেন।
অভিযোগের প্রকাশ
৩ জুন ফেসবুকে পোস্ট করে গণ অধিকার পরিষদ থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়া রাশেদ খাঁন এ অভিযোগ জানান। তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর আবদুল হান্নান মাসউদ দুর্নীতিতে জড়িত হয়েছেন। তিনি এক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্যকে টাকার বিনিময়ে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
“ভাই, ওরা ১ কোটি দিতে চায়, আপনি ৩ কোটিতে ডিল করেন।”
সংঘাটনের পরিণতি
আবদুল গাফফার এ পোস্টটি নিজের ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করেন। পরে হান্নান মাসউদও গাফফারের সঙ্গে মুঠোফোনে কথোপকথনের রেকর্ড পোস্ট করেন। সেখানে তিনি গাফফারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলার কারণ জিজ্ঞাসা করেন। জবাবে গাফফার ক্ষমা চাওয়ার জন্য বলেন।
পরবর্তীতে আবদুল হান্নান মাসউদের পোস্ট দেখে রাশেদ খাঁন গাফফারের আরেকটি ভিডিও আপলোড করেন। তাতে গাফফার জানান, সান্ত্বনা দিতে গিয়ে তিনি মাসউদকে ফোন করেছিলেন। তাঁকে নানা হুমকি দেওয়া হয়েছে।
হামলার প্রতিক্রিয়া
হামলার পর বাড়ির লোকজনের চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে আসে। হামলাকারীরা চলে যান। এ ঘটনায় আবদুল গাফফার অভিযোগ করেন, নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী বাড়িতে হামলা করেছে। অভিযোগ পেলে তাঁকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়া হয়।
“আমি বাড়িতে থাকি না। বাড়িতে থাকেন আমার বৃদ্ধ বাবা-মা। কী দোষ ছিল আমার বাবা-মায়ের?”
পুলিশের পরিদর্শন
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কবির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ছাত্রদল নেতার বাবা এ কে এম মোছলেহ উদ্দিনকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ প্রথম আলোকে বলেন, আবদুল গাফফারের অভিযোগ ভিত্তিহীন
