হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চ নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
হ দ হত য র ব চ – ইনকিলাব মঞ্চ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার ঘটনায় বিচার, খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনা এবং ঘটনার পেছনে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত উদ্ঘাটনের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আজ বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনের সামনে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের এ কর্মসূচি পরিচালনা করেন।
পরিকল্পিত প্রতিবাদের তারিখ ও সময়
কর্মসূচির মূল অংশে আগামীকাল বৃহস্পতিবার শাহবাগে মশালমিছিল এবং শুক্রবার জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হবে। বিভিন্ন স্থানে সেদিন একটি কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে।
“হত্যাকাণ্ডের তদন্তে বারবার সময় নিয়ে বিলম্ব হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন একাধিকবার পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং খুনিদের বিচারের আওতায় আনতে কার্যকর উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়।”
জাবের অভিযোগ করেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আড়াল করতে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের ‘ট্যাগ’ ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, হত্যার কারণ শুধু রাজনৈতিক বিরোধিতা নয়, এর পেছনে আরও গভীর দেশি-বিদেশি সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি ভারতের সম্ভাব্য সম্পৃক্ততার অভিযোগও উত্থাপন করেন। পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই বক্তব্য থেকে ধারণা করা যাচ্ছে যে হত্যাকাণ্ডের পেছনে ভারত সম্পৃক্ত হতে পারে।
“মমতার বক্তব্য থেকে ধারণা করা যাচ্ছে, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে হত্যার কাজ সম্পন্ন করতে সেই কাজে ইন্টেরিম সরকারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল কি না, সেইটা আমরা জানতে চাই।”
সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জাবের বলেন, হত্যার পরপরই সীমান্ত সিল করার কথা থাকলেও তা করতে বিলম্ব হয়েছে। এ বিলম্বের ফলে খুনিরা পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে।
শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার মূল দুই আসামিকে দিল্লি নিয়ে গেছে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জাবের বলেন, বেসরকারি একটি অনুসন্ধান সংস্থা অল্প সময়ের মধ্যে সম্ভাব্য খুনিদের পরিচয় খুঁজে বের করতে পারলেও রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো তা করতে ব্যর্থ হয়েছে।
রাজধানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় একজন জাতীয
