Uncategorized

‘হরিলুট করে’ জমি অধিগ্রহণের টাকা শেষ, থমকে আছে শরীয়তপুর-চাঁদপুর সড়কের নির্মাণকাজ

শরীয়তপুর-চাঁদপুর সড়ক নির্মাণে জমি অধিগ্রহণ জটিলতা হর ল ট কর জম অধ গ - প্রকল্প অনুমোদনের পর নকশার অনুপস্থিতি ও ভিডিওতে অস্তিত্বহীন স্থাপনার বিপরীতে মোটা

Desk Uncategorized
Published May 13, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

শরীয়তপুর-চাঁদপুর সড়ক নির্মাণে জমি অধিগ্রহণ জটিলতা

হর ল ট কর জম অধ গ – প্রকল্প অনুমোদনের পর নকশার অনুপস্থিতি ও ভিডিওতে অস্তিত্বহীন স্থাপনার বিপরীতে মোটা অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই স্থাপনা অধিগ্রহণের টাকা ছাড়ে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ তুলে এসেছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যে প্রকল্পের বরাদ্দ টাকা শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু জমি অধিগ্রহণ শেষ হয়নি। অধিগ্রহণ করা জমির মাত্র ৫১ শতাংশ পৌঁছেছে প্রকল্পের অগ্রগতি। তবে তিন দফা মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে, তবুও কাজ শেষ না হওয়ায় মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে আছে।

২০০১ সালে চাঁদপুর-শরীয়তপুর আঞ্চলিক সড়ক চালু হয়, যে সড়কটি সরু ও চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় প্রশস্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করে বিগত সরকার। সড়ক পুনর্নির্মাণের জন্য প্রকল্পের অনুমোদন পাওয়া হয় ২০১৯-২০ অর্থবছরে, এর বরাদ্দ টাকা ৮৬০ কোটি। আসলে জমি অধিগ্রহণে ব্যয় হয়েছে ৪৩০ কোটি টাকা, যে স্থাপনাগুলো নকশায় দেখা গেছে মাত্র ৯৫ দশমিক ৮৫ হেক্টর।

জমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে প্রকল্পের গতি ধীর। প্রাথমিক পরিকল্পনার বিরোধীতা ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের কারণে ক্ষতিপূরণ ছাড়া অধিগ্রহণ করতে পারা যায়নি। বিভিন্ন চক্র ফাঁকা জমি ব্যবহার করে স্থাপনা নির্মাণ করে দেখা গেছে জেলা প্রশাসনের এলএ শাখার কর্মকর্তাদের সঙ্গে একত্রিত হয়ে অনৈতিহাসিক বিল তৈরি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যেমন ভিডিওতে স্থাপনার অনুপস্থিতি না থাকলেও ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়েছে। গাছপালার মূল্য নির্ধারণ করার সময় ছোট গাছকে বড় ও মাঝারি গাছের মতো দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ।

“ডিপিপিতে জমি অধিগ্রহণের টাকা কম ধরা হয়েছিল। টাকা শেষ হয়ে যাওয়ায় আধপাকা টিনের ঘর দেখিয়ে অতিরিক্ত বিল দেওয়া হয়েছে,” বলেন শফিকুল ইসলাম।

প্রকল্পের শেষ দফায় মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব প্রস্তুত হয়েছে সওজের দিকে থেকে। এ বিষয়ে সওজের শরীয়তপুর নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ নাবিল হোসেন জানান, তৃতীয় দফায় মেয়াদ বৃদ্ধির পর জমি অধিগ্রহণ কাজ সম্পন্ন হয়নি। আরও মাত্র ৪৬ দশমিক ৯৫ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ হবে।

সওজ সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের বরাদ্দ টাকা শেষ হয়ে গেলে আরও ৪১৫ কোটি টাকা ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব আছে। যেখানে জমি অধিগ্রহণে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে ৩০০ কোটি ও সড়ক নির্মাণে বাকি ১১৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। বরাদ্দ প্রকল্পের টাকা আরও বৃদ্ধির প্রস্তাব নেওয়া হয়েছে কারণ জমি অধিগ্রহণ শেষ হয়নি।

প্রকল্পে নির্মাণাধীন সড়কের গতি ধীর। জমি অধিগ্রহণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে মাত্র ১৫ শতাংশ। এদিকে ছোট গাছপালা বড় গাছের মতো দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পে বিভিন্ন স্থানে জমি অ

Leave a Comment