হবিগঞ্জ থেকে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ, যাত্রীদের কষ্ট হচ্ছে
হব গঞ জ র সঙ গ স – হবিগঞ্জ থেকে সমগ্র দেশের বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। গত দুই দিনে বাস মালিকদের কর্মসূচির কারণে যাত্রীদের বিপদে পড়তে হচ্ছে। মৌলভীবাজারে বাজারে বাস আটকে দেওয়ার প্রতিবাদে যানবাহনমালিকেরা আজ মঙ্গলবার সকালে এই বন্ধন শুরু করে।
হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সোহেল চৌধুরী জানান, গত রোববার সকাল সাতটা থেকে মৌলভীবাজার জেলার বিএনপির সদস্যসচিব এবং বাস মালিক সমিতির সভাপতি আবদুর রহিমের নেতৃত্বে শেরপুর এলাকায় হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন বাস আটকে রাখা হচ্ছে। সিলেটে যাওয়ার জন্য বেলা দুইটার দিকে হবিগঞ্জ পৌর বাস টার্মিনালে আসার পর রাশেদুল ইসলাম বলেন, বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘হঠাৎ এভাবে বাস চলাচল বন্ধ করার কথা জানতাম না। গন্তব্যে আর যেতে পারলাম না।’
মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সকালে কথা হয়েছে। বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। জি এম সরফরাজ জানান, সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত সোমবার রাতে রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ের পর নেওয়া হয়।
বাস মালিকদের নিজেদের দ্বন্দ্বের কারণে যাত্রীদের কষ্ট হচ্ছে। সিলেটে চিকিৎসক দেখানোর নির্ধারিত তারিখ ছিল মিনতি পালের (৬০)। তিনি বেলা ১১টায় পৌর বাস টার্মিনালে এসে দেখেন বাস চলছে না।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বাসমালিকদের দ্বন্দ্বের কারণে আমাদের ভোগান্তি হচ্ছে। এভাবে হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ করা ঠিক হয়নি।’
বাসস্ট্যান্ডে আসার পর যাত্রীরা জানতে পারছেন বাস চলছে না। অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সিএনজি বা অটোরিকশার মাধ্যমে শায়েস্তাগঞ্জে যাচ্ছেন এবং সেখান থেকে বাসে রওনা দিচ্ছেন। এ সুযোগে কয়েকটি রুটে সিএনজি ও অটোরিকশার ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও করেছেন যাত্রীরা।
বাস চলাচল বন্ধ করার পর থেকে কয়েকটি বাস আটকে রাখা হয়েছে। গত দুই দিনে সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, প্রায় ২০০ শ্রমিক সেখানে �
