হঠাৎ বাড়িতে ঢুকে পড়েছিল লজ্জাবতী বানর
হঠ ৎ ব ড় ত ঢ ক – হঠাৎ বাড়িতে ঢুকে পড়া লজ্জাবতী বানর বিষয়টি চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার একটি স্থানীয় বৈদ্যুতিন বাগানে ঘটেছে। এই প্রাণীটি এলাকার বাসিন্দাদের মনোয়ার হওয়ার পর ইউএনওর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। খাঁচাবন্দী করে ইউএনও কর্মকর্তারা প্রাণীটিকে পর্যালোচনার জন্য সংগ্রহ করেছেন। এটি গুরুতর আঘাতে প্রাপ্ত হয়েছিল, তাই বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে গতকাল মঙ্গলবার রাতে সপ্তম ওয়ার্ডে বৈদ্দেরখিল গ্রামে।
ঘটনার স্থান ও প্রতিক্রিয়া
গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এই বিপর্যস্ত লজ্জাবতী বানর আবদুল মমিনের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। এই ঘটনার পর বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে যায়। পরে এলাকার মানুষ এটিকে আটক করে ও খাঁচায় পুনর্বাসন করে। আবদুল মমিন বলেন, বানরটি বাড়িতে ঢুকে পড়ার পর তাদের মনে হয় এটি আঘাতে ভুগেছে। সকালে প্রাণীটিকে ইউএনও কর্তৃক প্রাণিসম্পদ বিভাগে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তী পদক্ষিপ্ত প্রক্রিয়া চলছে।
“গতকাল রাতে হঠাৎ বানরটি আমাদের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। আমরা প্রথমে ভয় পেয়ে যাই। পরে এলাকার মানুষ এটিকে ধরে খাঁচায় রাখে। সকালে আমরা এটিকে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করি।” বলেন আবদুল মমিন, যার বাড়িতে ঘটনাটি ঘটেছে।
প্রাণিসম্পদ ও বন বিভাগের প্রতিক্রিয়া
বন বিভাগের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন (সাগর) জানান, প্রাণীটি ক্ষোভজনক আঘাতে ভুগেছে। সুতরাং চিকিৎসা ও পরিচর্যা ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়াও তিনি বলেন, লজ্জাবতী বানর বাংলাদেশের বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনের আওতায় রয়েছে। এই প্রাণীটি উদ্ধারের পর চিকিৎসার পর গাজীপুর সাফারি পার্কে পাঠানো হতে পারে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন বলেন, খাঁচাবন্দী করা হয়েছে এটি লজ্জাবতী বানর। পরবর্তী পদক্ষিপ্ত প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও বলেন, লজ্জাবতী বানর ছোট আকারে ও মন্থর গতিশীল। তবে বনের প্রতিবেশব্যবস্থার সম্পূর্ণ সম্পর্কে এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
প্রাণীটির প্রাথমিক অবস্থা কী ছিল?
খাঁচাবন্দী করা হয়েছে হঠাৎ বাড়িতে ঢুকে পড়া লজ্জাবতী বানর। তার শরীরে ক্ষুদ্র ক্ষত দেখা যায়। কর্মকর্তারা বলেন, প্রাণীটি স্থানীয় বৈদ্যুতিন বাগানে হঠাৎ ঢুকে পড়েছিল। এটি নিরাপদ হওয়ার জন্য তাদের নিরাপত্তি দেয়া হয়েছে। এটি বিপন্ন প্রজাতির বানর হওয়ায় এটি ইউএনও কর্তৃক সংরক্ষণ করা হয়েছে।
বৈদ্যুতিন বাগান এখন লজ্জাবতী বানরের প্রধান খাদ্য উৎস। বন কর্মকর্তা মো. শাহিন আলম বলেন, বাগানে প্রাণীটি খাওয়ার জন্য প্রতিদিন সচেষ্ট হয়
