হজের সফরে কখন কোন দোয়া পড়বেন
হজ র সফর কখন ক ন দ – হজ পরিব্রজনের প্রতিটি পর্যায়ে রাসুল (সা.) এক কিছু নির্দিষ্ট দোয়া ও জিকির প্রদত্ত করেছেন। যদিও প্রতিটি হজ যাত্রী বৈধ দোয়া পাঠ করতে পারেন, তবুও সাহাবিদের কথার আদর্শ দোয়াগুলো অসাধারণ ফজিলত ও গুরুত্ব অনুসরণ করে থাকে। নিচে পর্যায় বিশেষ করে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বিশেষ দোয়া ও উপযুক্ত সময় নির্দেশ দেওয়া হলো:
গৃহ ত্যাগের সময় বিশেষ দোয়া
আসতাওদিউকুমুল্লা হাল্লাজি লা তাদিউ ওয়াদাইউহু।
হজ পরিব্রজন শুরু হওয়ার সময় পরিবার ও প্রতিবেশীদের উদ্দেশে রাসুল (সা.) এই দোয়াটি পড়ার আদেশ দিয়েছেন। দোয়াটি মানে: আমি আপনাদের আল্লাহর হেফাজতে সঁপে যাচ্ছি, যাঁর আমানত বা হেফাজতকৃত জিনিস কখনো নষ্ট হয় না। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ২৮২৫)
যানবাহনে আরোহণের পর দোয়া
সুবহানাল্লাজি সাখখারা লানা হাজা ওমা কুন্না লাহু মুকরিনিন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনকালিবুন। আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা ফী সাফারিনা হাজাল বিররা ওয়াত তাকওয়া, ওয়ামিনাল আমালি মা তারদা। আল্লাহুম্মা হাওউইন আলাইনা সাফারানা হাজা ওয়াতউই আন্না বুদাহু। আল্লাহুম্মা আনতাস সাহিবু ফিস সাফারি ওয়াল খালিফাতু ফিল আহলি। আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজু বিকা মিন ওয়াছাইস সাফারি ওয়া কাআবাতিল মানজারি ওয়া সূইল মুনকালাবি ফিল মালি ওয়াল আহলি ওয়াল ওয়ালাদি।
যানবাহনে আরোহণের সময় সফরের সূত্রে প্রতিটি হজযাত্রী এই দোয়া পাঠ করতে পারেন। উল্লেখ করা হয়েছে এটি পবিত্র আল্লাহর সম্মান ও বিশেষত্ব নিশ্চিত করে। দোয়াটি মানে: পবিত্র সেই সত্তা, যিনি এগুলোকে আমাদের বশীভূত করেছেন, অথচ আমরা এগুলোকে বশ করতে সক্ষম ছিলাম না। আর আমরা অবশ্যই আমাদের প্রতিপালকের দিকে প্রত্যাবর্তন করব। হে আল্লাহ! আমাদের এই সফরে আপনার কাছে পুণ্য ও তাকওয়া এবং আমাদের কাজের প্রশংসনীয় প্রতিপালকের কাছে প্রার্থনা করছি। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৩৪২)
ইহরাম পরিধানের পর তালবিয়া
লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ই
