বিজয় নির্মাণের পথে এক সাধারণ মেয়ে
স দ ন র ছ ট ট – ভারতের দক্ষিণ ভাগে তেলুগু ও তামিল চলচ্চিত্রের দর্শকদের হৃদয় দখল করে রেখেছেন কাজল আগরওয়াল। তাঁর পরিবার মূলত পাঞ্জাবি বংশোদ্ভূত। তিনি মুম্বাইয়ের একটি সাধারণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা বিনয় আগরওয়াল ছিলেন ব্যবসায়ী এবং মা সুমন আগরওয়াল ছিলেন কনফেকশনারি উদ্যোক্তা। পরিবেশ ছিল আধুনিক ও শিক্ষাবান্ধব।
মুম্বাইয়ের সেন্ট অ্যানস হাইস্কুল থেকে শিক্ষার পর তিনি জয় হিন্দ কলেজ এবং পরবর্তীতে কে সি কলেজে অধ্যয়ন করেন। ছোটবেলা থেকেই তাঁর আগ্রহ ছিল ফ্যাশন ও মিডিয়ার প্রতি। কিন্তু ভাগ্য তাঁকে অভিনয়ের জগতে নিয়ে যায়।
বলিউডে প্রথম পদক্ষেপ
তাঁর জীবনে নতুন আগমন ঘটে বলিউডে ছবি ‘কিউ! হো গায়া না…’-এর মাধ্যমে যখন তিনি ২০০৪ সালে তাঁর অভিষেক ঘটে। ছবিতে ভাষা ও সংস্কৃতি ভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও তিনি নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে পিছপা হননি। প্রথম দিকে বাইরের রাজ্যে অভিনয় করা সহজ ছিল না। শুটিং সেটে ভাষাগত সমস্যার কারণে অনেক সময় অন্যদের সাহায্য নিতে হতো। সংলাপ মুখস্থ করতে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হতো।
যে ছবি বদলে দিল সবকিছু প্রত্যেক তারকার জীবনে একটি টার্নিং পয়েন্ট থাকে। কাজল আগরওয়ালের ক্ষেত্রে সেই ছবির নাম ‘মাগাধীরা’। ২০০৯ সালে মুক্তি পায় ছবিটি যখন পরিচালনা করেন এস এস রাজামৌলি। ছবিতে রামচরণ ছিলেন নায়ক।
আবির্ভাব এবং সাংস্কৃতিক ছাপ
ছবিটি মুক্তির পর দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমায় এক নতুন যুগের সূচনা করে। রাজকুমারী মিত্রাবিন্দার চরিত্রে তাঁর অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করে। তাঁর সৌন্দর্য, পর্দায় উপস্থিতি এবং আবেগ প্রকাশের ক্ষমতা নতুনভাবে আলোচনায় আসে।
দীর্ঘ সময় কাজলকে ‘গ্ল্যামারাস নায়িকা’ তকমা নিয়ে
এরপর তিনি অসংখ্য ছবিতে অভিনয় করেন।
