সময় থমক দেওয়া মদরিচ ক্রোয়েশিয়ার সেই যুগের নূতন চুমুক দিলেন
বিশ্বকাপের পুনরায় সময় থমকে দেওয়া মদরিচ
সময় থমক দ ওয় মদর চ – সময় থমক দেওয়া মদরিচ পাঁচ দশকের পর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফেরে প্রথম ম্যাচে মাঠে দাঁড়ায়। এটি তাঁর ১৯৯তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ যেখানে বয়স তিন দশক পেরোয়া হয়েছে। কেন্দ্রে থাকার মতো করে সময় পরিবর্তন আনে যে মেসির সাথে আর এক ক্রীড়াবিদ নিজের সীমা গুণে পারে না। সময় থমক দেওয়া মদরিচ কি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের শেষ চুমুক হবে কিনা তা চূড়ান্ত নয় সেই মুহূর্তের বিশেষত্ব।
সময় থমক দেওয়া মদরিচের বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে অংশগ্রহণের মূল্য তাঁর ক্রীড়াজগতের বহু বছর পর চলেছে। ২০০৬ সালের ১১ অক্টোবর ডালাসে জাগরেবে মাকসিমির স্টেডিয়ামে তিনি প্রথম গোল করেন যেখানে লিওনেল মেসির সাথে সাথে খেলছিলেন। বলটা গ্যারি নেভিলের ব্যাকপাসে থেকে ছাড়া না পেলে পল রবিনসনের প্রতি ছিল এক ক্ষণিক পরিশ্রমের ফল। সময় থমক দেওয়া মদরিচ এখন ক্রীড়ার এক সময় কে করে তুলেছে যে আন্তর্জাতিক মাঠে তিনি সম্পূর্ণ ৯০ মিনিট খেলেন।
এটি সময় থমক দেওয়া মদরিচের ক্রীড়াজগতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো যে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিনি সময় থমক দেওয়া মদরিচ কি আবার বিশ্বকাপে তাঁর জীবনের শেষ চুমুক দেবেন কিনা তা আমাদের কাছে চূড়ান্ত নয়। সময় থমক দেওয়া মদরিচ কি এই মুহূর্তটা হলো যুগের পর পর অধ্যায়ের শুরু করছেন না সেই চূড়ান্ত সময়ের সাথে সেই জীবনের সব স্বাদ দেখাচ্ছেন।
যুগের পর পর অধ্যায়ের সময় ওয় মদর চ
সময় থমক দেওয়া মদরিচের ক্রীড়া জীবনের পরিবর্তন কে সাধারণত কেন্দ্রে থাকার প্রতি সময় থমক দেওয়া মদরিচ কে করে তুলেছে বলে বিশ্বকাপের পুনরায় আসার পর তাঁর বয়স সম্পূর্ণ তিন দশকের বাইরে হয়েছে। পাঁচ দশক পর তিনি মাঠে ফিরেছেন সময় থমক দেওয়া মদরিচ যেখানে সময়ের গভীরতা বাড়ে এবং ক্রীড়াবিদের অভিজ্ঞতা তাঁর পরিশ্রমে আসে। সময় থমক দেওয়া মদরিচ কে এখন মাঠে ক্রীড়ার এক যুগের পর পর অধ্যায়ের শুরু দেখাচ্ছে কি হলো তা ক্রীড়া চূড়ান্ত নয়।
সময় থমক দেওয়া মদরিচের প্রথম গোল একটি প্রায় দুই দশক পর হয়েছে যেখানে বোরাতের গোঁফের ছায়ায় শুরু হয়েছিল সিরিজ। সময় থমক দেওয়া মদরিচ কি এখন এই পরিবর্তনের প্রতি সুন্দর প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন কিনা তা সম্পর্কে আমরা অপেক্ষা করছি। বিশ্বকাপে তাঁর সময় থমক দেওয়া মদরিচ কি একটি মুহূর্তের সমাপ্তি হবে কিনা তা আমাদের নিশ্চিত নয় কিন্তু এই মুহূর্তটি সময় থমক দেওয়া মদরিচ ক্রীড়া জগতের এক অপূর্ব বিষয় হিসেবে ধরে নেওয�
