প্রধানমন্ত্রী বলেন সরকার কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার সম্ভবতা রয়েছে
সব র সহয গ ত প ল – তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, সরকার সবার সহযোগিতার সাথে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার সম্ভবতা রয়েছে। তিনি দাবি করেন যে, সৈনিকদের সহ দেশের সাধারণ মানুষ কল্পনা করেছে বাংলাদেশ কী হতে চায়, সরকার তার প্রতি সম্মতি দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সবার নির্দিষ্ট কর্তব্য আছে। সেই কর্তব্য পালন করলে চাওয়া দেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।
ঈদুল আজহার দিন দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে অনুষ্ঠানে ভাষণ
ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার ও সৈনিকদের প্রীতিভোজে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী। তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামসুল ইসলাম এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এতে সৈনিক ও অফিসারদের অংশ নেয়া হয়।
তিনি বলেন, ‘ঈদের দিনে আসুন, আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি এবং তাঁর রহমত কামনা করি। তিনি যাতে আমাদের সবাইকে দায়িত্ব পালনে সমর্থন করেন।’
শৈশবের স্মৃতি ও গড়ানো সম্পর্কে কথা
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি শৈশবে এই স্থানে বড় হয়েছি। ছোটবেলা থেকে সৈনিকদের ব্যারাকে ঘুরে বেড়াতাম এবং তাদের সঙ্গে কথা বলতাম।’ সিএমএইচের গেট সম্পর্কে তিনি উল্লেখ করেন যে, সেই সময় হাতের বাঁ দিকে ছিল ফ্যামিলি ওয়ার্ড এবং ডান দিকে স্টাফ সার্জন বসতেন। টিনের ঘরে তিনি সামান্য চিকিৎসা পেতেন।
তিনি বলেন, ‘আমি যখন আসছিলাম, সে সময় হঠাৎ মনে হলো আমি ৪৫/৪৬ বছর পেছনে চলে গেছি। সিএমএইচের গেটটা তখন এত বড় ছিল না। গাড়িতে সঙ্গে থাকা এডিসিকে জিজ্ঞেস করলাম, সিএমএইচে ঢোকার পরে ছোট একটা প্যাথোলজি ছিল।’
সৈনিকদের আত্মত্যাগে ধন্যবাদ
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন যে, সাম্প্রতিক একটি ভিডিওয় সৈনিকদের সাফল্যের প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কয়েক মাস আগে দুটি পত্রিকা অফিসে আগুন লাগে। সৈনিকরা প্রায় ১৮ জন সাংবাদিককে উদ্ধার করেছিলেন। এটি অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য।
তিনি বলেন, ‘দেশের এবং জাতির প্রয়োজনে সৈনিকরা জীবন দেয়। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে তাদের আত্মত্যাগের মূল্যায়ন করা।’
নিরাপত্তি ও সমাজের উন্নতির প্রতি লক্ষ্য
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজের সকল স্তরের মানুষ চায় সন্তানদের কাছে লেখাপড়ার সুযোগ রয়েছে এবং পরিবারের সদস্যরা সুচিকিৎসার সুবিধা পেয়ে থাকবে। তিনি যোগ করেন, এই প্রয়োজনগুলো পূরণের জন্য চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি যেন মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে �
