খরচ বাড়ল সাজেদুলের সপ্তাহের বাজারে
পরিবারের খরচ বেড়েছে অর্থনৈতিক পরিবর্তনের কারণে
সপ ত হ র ব জ র – রাজধানীর কল্যাণপুর এলাকার বাসিন্দা সাজেদুল ইসলাম বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মান যাচাই বিভাগে কাজ করেন। গত বৃহস্পতিবার সকালে তিনি কল্যাণপুর নতুন বাজারে সপ্তাহের কেনাকাটা করতে যান। সবজির দোকানে তিনি এক কেজি বরবটি, কাঁকরোল ও বেগুন এবং আধা কেজি ধুন্দুল কিনেছিলেন। এগুলো সাজেদুল ইসলামের পরিবারের এক সপ্তাহের বাজার, যেখানে ব্যয় বেড়েছে প্রায় ২১০ টাকা। দুই মাস আগে সেই পরিমাণের সবজি তিনি ২৬০ টাকার মধ্যে কিনেছিলেন। তার ব্যয় তখন থেকে সপ্তাহে আটা টাকা বেড়েছে।
‘আমার বেতন সীমিত। এর মধ্যে টানাটানি করে সংসার খরচ চালাই। কিন্তু গত দেড়-দুই মাসে সিলিন্ডারের এলপিজি গ্যাসসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েছে। বিশেষ করে সবজি, মাছ, মাংসের দাম বাড়ায় সংসারের খরচ সামলাতে আমি হিমশিম খাচ্ছি,’ বলেন সাজেদুল।
মাছ ও মাংসের দাম বেড়েছে মাসিক ভিত্তিতে
মাছ কিনতে যাওয়ার সময় সাজেদুল দেখেছিলেন মাঝারি আকারের পাঙাশের দাম বেড়েছে। বিক্রেতা দেখায় কেজি দর ৩২০ টাকা হয়েছে, যেখানে দুই মাস আগে সেই আকারের মাছ কেনা যেত ২৮০ টাকায়। দুই কেজি মাছ কিনতে তাঁর ব্যয় তখন থেকে ৪০ টাকা বেশি হয়েছে।
ব্রয়লার মুরগির দোকানে সাজেদুল আরেকবার বিরক্ত হন। কোনো দোকানে ২০০ টাকার নিচে মুরগি বিক্রি হচ্ছে না। গত বছর রোজার মাসে মুরগির দাম ছিল ৩২০-৩৩০ টাকা, আর গতকাল সেই কেজি দাম ৩৭০-৩৮০ টাকা। তিনি সেই ব্যবধানে কেজি দাম কেন্দ্রে প্রতি কেজি টাকা ২০ বেড়েছে।
খুচরা বাজারে দাম বৃদ্ধি হয়েছে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে
বাজারে ঘুরে দেখা যায় বিভিন্ন খাদ্য পণ্যের দাম সাধারণ মানুষকে ভার করছে। ব্রয়লার মুরগির কথা ধরুন, বাজারে দেড় মাস ধরে কেজি দাম ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এটি আগে কেজি দাম ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা ছিল। পাড়া-মহল্লার দোকানে এই দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি।
গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ঢ্যাঁড়স ও পটোল দাম ৫০-৬০ টাকা। পেঁয়াজের ক্ষেত্রে গতকাল কেজি দাম ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, যেখানে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ
