সংকটের অর্থনৈতি, আশার বাজেট
স কট র অর থন ত আশ – সংকটের অর্থনৈতি আশার বাজেট হিসেবে আগামী বছরের মতো নতুন বাজেট প্রণীত হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা এখন বহুমুখীনয়ন সংকটের মুখে দাঁড়িয়েছে যখন জনগণের জীবনযাত্রার চাপ আগের চেয়ে বেশি হয়েছে। মধ্যবিত্ত বর্গের আয় কমেছে, নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে এবং যুবদের কর্মসংস্থানের সমস্যা তীব্রতর হয়েছে। সুতরাং আগামী বাজেট কেবল আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, এটি অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক ভরসার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
সংকটের পরিসর ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি
আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও এডিবি সম্প্রতি জানানো হয়েছে যে সংকটের অর্থনৈতির প্রধান ঝুঁকি হলো উচ্চ মূল্যস্ফীতি, অস্থির আর্থিক খাত এবং কর্মসংস্থানের সংকট। গত দশকে অবকাঠামোগত উন্নয়নের সত্ত্বেও সংকটের অর্থনৈতির অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা বর্তমানে সরাসরি জনগণের জীবনে প্রভাব ফেলছে। বিবিএস পরিসংখ্যান অনুযায়ী জুলাই ২০২৪-এ সার্বিক মূল্যস্ফীতি ১১.৬৬ শতাংশ ছুঁয়ে গেছে, যা গত দশকের বৃহত্তম সংকটের একটি নথিভূমি হিসেবে ধরা পরেছে। খাদ্য মূল্যের বৃদ্ধির কারণে কম আয়ের বর্গের বাস্তব ব্যয় সম্পূর্ণ নতুন মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অবস্থায় সংকটের অর্থনৈতি অত্যন্ত কঠিন হয়ে আসছে যাতে নাগরিক আরও বেশি কষ্টে পড়ছেন।
বাজেটের উদ্দেশ্য এবং সংকট নিয়ন্ত্রণ
২০২৫–২৬ অর্থবছরের বাজেট ছিল মূলত সংকটের অর্থনৈতি নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রণীত। জুলাই ২০২৪-এর রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনৈতিক বাস্তবতার মুখে দায়িত্ব গ্রহণ করে। যদিও প্রস্তুত বাজেটের পরিসর প্রায় ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা ছিল, কিন্তু সংকটের অর্থনৈতি আরও কঠিন ছিল। তাই আগামী বাজেট সংকট নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টার সাথে সামাজিক নিরাপত্তা উন্নত করার লক্ষ্যে প্রস্তুত হবে।
২০২৬–২৭ অর্থবছরে জাতীয় বাজেট হবে বিশেষ করে বাস্তবভিত্তিক সম্প্রসারণমূলক। সংকটের অর্থনৈতির মুখে দাঁড়িয়ে আছে সম্প্রতি পরিস্থিতি আরও সংকটের উপর গুরুতর ভার বৃদ্ধি করেছে। বাজেটের উদ্দেশ্য হলো উন্নয়ন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা ও সামাজিক নিরাপত্তা উন্নত করা। সংকটের অর্থনৈতির পরিস্থিতি সুষ্মন করতে বাজেট প্রস্তুত হয়েছে বিশেষ করে স্থায়ী সমাধানের প্রচেষ্টা করে।
সংকটের অর্থনৈতি হতে উপকারিতা করা হবে এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা হবে আশার বাজেট ব্যবহার করে
