Uncategorized

শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে বলতে বলতে বেঞ্চে শুয়ে পড়লেন বরকত

বরকত আলী হাসপাতালে শুয়ে পড়লেন শ্বাস নিতে কষ্ট অনুভব করে শ ব স ন ত কষ ট - বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার মহাখালী ডিএনসিসি কোভিড-১৯ হাসপাতালে দেখা যায় বরকত আলী

Desk Uncategorized
Published June 4, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Table of Contents
  1. বরকত আলী হাসপাতালে শুয়ে পড়লেন শ্বাস নিতে কষ্ট অনুভব করে
  2. বিপ্লব শেখের দুঃখে বাড়ি থেকে হাসপাতালে আসেন
  3. নেবুলাইজ করা হচ্ছে মামুদ হাসানকে

বরকত আলী হাসপাতালে শুয়ে পড়লেন শ্বাস নিতে কষ্ট অনুভব করে

শ ব স ন ত কষ ট – বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার মহাখালী ডিএনসিসি কোভিড-১৯ হাসপাতালে দেখা যায় বরকত আলী (২৯) এর শরীরে লাল ছোপ ছোপ র‍্যাশ ছড়ানো। তাঁর স্ত্রী নাসিমা খাতুন তাঁকে কোলে মাথা রেখে বেঞ্চে শুয়ে পড়েন। ছয় দিন আগে তিনি রাজধানীতে আসার পর র‍্যাশ ও জ্বর বৃদ্ধি পায়। এ আগে সিরাজগঞ্জে থেকে ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাওয়ার পর অসুস্থ হন।

“আমার শ্বাস নিতে অনেক কষ্ট অইতাছে। হাসপাতালে আসার সময় যানজটে অপেক্ষা করতে হয়। আমার খুব কষ্ট অইতাছে।”

নাসিমা খাতুন জানান, তাঁর স্বামী গাজীপুরে চীনা প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। ঈদের আগের দিন তিনি জ্বরে অসুস্থ হন। শরীরে র‍্যাশ দেখা দেয়। তাঁরা প্রথম দিন ১২ হাজার টাকায় গাড়ি ভাড়া করে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকার হাসপাতালে এসেছিলেন। সেই সময় র‍্যাশ কম থাকায় চিকিৎসক তাঁকে ভর্তি করেননি। ওষুধ লিখে দিয়ে বাড়িতে চলে যেতে বলেন।

তাঁরা বাড়ি চলে যান। এরপর বরকত আলীর জ্বর ও র‍্যাশ বাড়তে থাকে। বাধ্য হয়ে আবার হাসপাতালে নিয়ে আসেন। নাসিমা খাতুন জানান, বরকত আলীকে ভর্তি করলে এই দুই দিনে সুস্থ হয়ে যেত। কিন্তু সেই দিন রাহে নাই এরা।

বিপ্লব শেখের দুঃখে বাড়ি থেকে হাসপাতালে আসেন

বেলা দেড়টার দিকে অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামতে দেখা যায় বিপ্লব শেখ (৩৪) নামের রোগীকে। তিনি ঈদের আগে জ্বরে অসুস্থ হন। শরীরে র‍্যাশ দেখা দেয়। পাঁচ দিন মুন্সিগঞ্জের জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। তার পর হাম হয়েছে নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি ঢাকায় নিয়ে আসেন।

“পাঁচ বছরের একটি নাতি ও তিন মাসের একটি নাতনি আছে। আমার ছেলের কিছু হলে এদের কী হবে, কে দেখবে তাদের। দেখার মতো তো কেউ নেই।”

বিপ্লবের মা মনি বেগম তাঁর শ্বশুর নুর জামাল ও ছোট ভাই রিমন চিকিৎসকদের কাছে নিয়ে যাওয়ার সময় হাসপাতালের বেঞ্চে কাঁদছিলেন। মুন্সিগঞ্জ থেকে সরাসরি চলে আসেন তিনি হাসপাতালে।

নেবুলাইজ করা হচ্ছে মামুদ হাসানকে

ছয়তলা ভবনের চতুর্থ তলায় আট বছরের বেশি বয়সী রোগীদের চিকিৎসা চলছে। এ দুপুরে দেখা যায় মামুদ হাসান (১৫) নেবুলাইজ করা হচ্ছে। তাঁর মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন স্বামী মো. শামীম। খাদিজা বেগম (২২) শয্যায় বসে কাতরাচ্ছেন।

“শুরুতে তো বুঝতে পারিনি যে হাম হয়েছে। কয়েক দিন যাওয়ার পর দেখি শরীরের র‍্যাশ উঠেছে। পরে একজন বলল এটি হামের লক্ষণ। তাই ঢাকায় নিয়ে আসি। এখন আগের তুলনায় কিছুটা ভালো আছে।”

আসিফ হায়দার �

Leave a Comment