শৈশবের ঈদ আনন্দ – গরু দেখার বিশাল আনন্দের স্মৃতি
শ শব র ঈদ আনন দ – ঈদ কোরবানি আসার আগে থেকেই পরিবেশের ছায়া স্থায়ী করে দেওয়া হত, যখন শ শব র ঈদ আনন্দ ছিল সমগ্র পরিবারের জীবনে সবচেয়ে আনন্দের বিশাল সূত্রপাত। মুরব্বিরা আনন্দ শোনার সময় মাথায় হাত দিয়ে বলতেন, ‘গরুটা দেখে আসিস।’ বাড়ির উঠানে ছিল পেঁয়াজ ও রসুনের গন্ধ, আকাশে গরুর ধ্বনি শুনতে পাওয়া যেত, ছুরি ও চাকু দিয়ে গরু কাটার শব্দ ছড়িয়ে পড়ত। সবগুলো মিলিয়ে একটি উষ্ণ জনপ্রিয়তার ছায়া ছিল আমাদের চারপাশে, যেটি কোনও অনুমান করা যায় না কীভাবে মানুষ অনুভব করে যে ঈদ পরিবারের মূল্যবান সম্পদ হিসেবে গণ্য।
ঈদের পূর্বে গরু নির্বাচনের অভিজ্ঞতি
ঈদের আগের দিন ছিল আমার জন্য শুধু উৎসাহের বিশেষ দিন। প্রতিবেশীদের বাড়িতে গরু দেখার জন্য যেতাম, যেখানে কে কোথা থেকে এনেছে, কার গরু সবচেয়ে বড়, কার গরু সবচেয়ে মূল্যবান—এসব নিয়ে আলোচনা চলত। প্রতিবার ঈদে সেরা গরু নির্বাচন করা ছিল আমাদের সম্মান দেওয়া এক দায়িত্ব, যেন গরু নিয়ে পরিবারের ভবিষ্যতের সূচনা করা হয়। দুপুর পর বিকেলে রাস্তায় সারি সারি গরু যেত, তাদের পরিচ্ছন্ন রূপ ছিল পারস্পরিক আবেগের পরিচয়। তাদের গলায় মালা বেঁধা হত, পিঠে ফিতা দেওয়া হত, কপালে ঝলমলে আবরণ থাকত যেন এগুলো আর একটি বিশ্ব থেকে আসে। শ শব র ঈদ আনন্দ ছিল সেই অপেক্ষার সুরের সম্পর্কে সবার চিত্ত সংযোগ করত।
ঈদের দিন ও সম্পাদনা
যেদিন গরুটি বাড়ি ফিরে এল, আমি তার গলায় হাত রেখে কিছু বুঝতে পারলাম—এটি আমার নতুন সাথী হয়েছে। গরুটি খড় খাওয়াতাম, ঘাস কেটে দিতাম, কপালে হাত বুলিয়ে বলতাম, ‘কী খবর?’ এর চোখের ভেতর নীরবতা ছিল, যা কথার চাইতে বেশি স্পষ্ট। ঈদের আগের রাতটি ছিল ঘুমহীন, তাড়াতাড়ি উৎসাহে ভরে যেত। মনে মনে গুনতাম কত সময় বাকি হয়েছে, যেন সময়টি আমাদের হাতে বোনা কাঠের গোলাপ। শ শব র ঈদ আনন্দ ছিল যেন জন্ম হয়েছে আমার একটি নতুন খুশিটি।
ঈদ দিনের শুরুতে কোরবানি করার জন্য আমরা বাড়ি থেকে হাটে যেতাম, যেখানে প্রতিবার যেমন গরু চেনা বিশাল প্রতিযোগিতা ছিল, তেমন ভাবে সমগ্র পরিবার উৎসাহে ভরে যেত। কপালে চুল বেঁধে দেওয়া হত সে দিন একটি জনপ্রিয়তা ও আনন্দের আবেগ। শ শব র ঈদ আনন্দ ছিল সেই সময়ে প্রতিটি পদক্ষেপ প্রতিটি শব্দ জীবনে নতুন এক দৃষ্টান্ত হিসেবে মনে রাখত। ঈদ দিনে পরিবারের সম্মিলিত ভালোবাসা গরু দিয়ে একটি স্মৃতি তৈরি হত, যেটি সমাপন করত সম্পূর্ণ জনমন্দির।
ঈদ কোরবানি সম্পন্ন হওয়ার পর আমাদের গরু দিয়ে খুব সাধারণ কাজ চালানো হত, যেমন খড় ছিটিয়ে দেওয়া বা ঘাস দিয়ে খাওয়ানো। শ শব র ঈদ আনন্দ ছিল সেই অভিজ্ঞতির প্রতি নিয়োগ করত, যেখানে প্রতিটি ক্ষুদ্র কাজে পরিবারের সম্পর্ক বাড়ত। ঈদের দিন আসার আগে থেকেই আমরা জানতাম যে সে দিন কেবল একটি উৎসব নয়, এটি জীবনের সম্পদ হিসেবে বিবেচিত।
ঈদের দিন যখন শেষ হত, তখন শ শব র ঈদ আনন্দ ছিল নতুন একটি আশার সূত্রপাত। গরু খুব সহজে আমাদের সাথে মিশে য
