বিরোধী দলের সংসদ থেকে ওয়াকআউট
শ ষ সময় স সদ থ ক – রোববার বৈঠকের শেষ পর্যায়ে সংসদ কক্ষ থেকে বের হয়ে যায় বিরোধী দলের সদস্যদের অধিকাংশ। তাঁদের ওয়াকআউটের কারণ হিসেবে তিনটি প্রধান বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। পয়েন্ট অব অর্ডার সুযোগ না পেয়ে এবং বিল উত্থাপনের আগে নোটিশ না দেওয়ার কারণে ও সময় বিতরণের অসম্পূর্ণতা বিরোধী দল আপত্তি জানায়।
আজ সংসদের কার্যসূচিতে বাজেট আলোচনার শেষ বক্তা ছিলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি জামায়াতে ইসলামীর মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁদের ভূমিকা নিয়ে স্পষ্ট করার আহ্বান জানান। বক্তব্যের পর সময় মার্জনা করে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বিল দুটি উত্থাপন করেন। এই বিলদ্বয় হলো বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) আইন এবং পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্স) (সংশোধন) বিল।
তখন ডেপুটি স্পিকার বলেন, “বিবৃতিটা হোক, তারপর আপনারা এত অধৈর্য হয়ে যান!”
বিল উত্থাপনের পর জামায়াতে ইসলামীর সদস্য শাহজাহান চৌধুরী পয়েন্ট অব অর্ডার নেওয়ার আহ্বান জানায়। কিন্তু ডেপুটি স্পিকার ঘোষণা করেন যে ঐ সময় পয়েন্ট অব অর্ডার নেওয়া সম্ভব নয়। এরপর তিনি বিবৃতি দেওয়ার জন্য সংসদীয় কমিটিতে বিল দুটি পাঠান।
৩০০ বিধিতে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাঁর বিবৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, “আপনাদের জন্য সুখবর আছে।” তবে বিরোধী দলের সদস্যরা অনেকে দাঁড়িয়ে থাকে এবং কথা বলার চেষ্টা করে।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, “বিবৃতিটা হোক, তারপর আপনারা এত অধৈর্য হয়ে যান!”
সংসদ কক্ষ থেকে বের হয়ে ওয়াকআউট করার পর জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “বিলের কপি আগে না দেওয়ায় এবং পয়েন্ট অব অর্ডার না দেওয়ায় তাঁরা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন। বিরোধী দলকে সময় কম ও সরকারি দলকে বেশি সময় দেওয়া একাত্তরের ভূমিকার জন্য ক্ষমা চাননি, সময় আছে ভেবে দেখুন।
এরপর মির্জা ফখরুল আগামীকাল (সোমবার) বিবৃতি দেবেন বলে জানান। ডেপুটি স্পিকার বৈঠক মুলতবি করেন।
