পর্দার ছায়ায় নিজের আনন্দ ছাড়া কিছু স্বাভাবিক মানুষ নেই; যে ৫ অভিনেত্রী আজও স্মৃতিতে থেকেছেন
শ ষ প স ট ছ ল – বিনোদন বিশ্ব যেখানে আলো, ক্যামেরা, প্রশংসা আর দর্শকের ভালোবাসা বিস্তৃত হয়ে থাকে, সেখানেও কখনও কখনও জীবনের দুঃখের আঁঘাঁ সামনে আসে। যাঁদের পর্দার দিকে আকর্ষণ করে হাসি আর সাফল্য, তাঁদের নিজস্ব জীবন সব সময় তেমন সুখে ছিল না। প্রতিবেশী অভিনেত্রীদের গল্প বিনোদন এলাকার আলোচনায় তাড়াতাড়ি ফুটে ওঠে।
তাঁদের নাম নিয়ে আলোচনা চলছিল সবার জন্য সুখ সৃষ্টি করেছিল, কিন্তু সেই সুখ ছিল মাত্র স্থায়ী। সঞ্চিতা উগলে ছিলেন সেই অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন। তিনি নিজের চরিত্রে ছিলেন ‘কুমকুম ভাগ্য’, ‘ওয়াগলে কি দুনিয়া’ ধারাবাহিকে। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর খবর যখন ছোট পর্দা পরিচিতি ও অনুরাগীদের নিশ্চিহ্ণ করে দেয়, তখন দর্শকদের সম্মুখে একটি বিপর্যয় ঘটে।
তিনি সব গল্পের শেষ মুহূর্তে আনন্দ পান না। কিছু গল্প অসমাপ্ত থাকে কিছু প্রশ্নের সাথে।
অতীতে তাঁর জীবন এমন ছিল যে অসমাপ্ত গল্প বলে মনে হত। সবার নিকট অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন তাঁকে, কিন্তু আসলে নিজে জীবনের সংকট আর চাপের ভিতর দিয়ে পার হতে পারেন নি।
২০২২ সালের মে মাসে পল্লবী দের মৃত্যু বাংলা টেলিভিশনের নতুন আশ্চর্য আসে না। সেই পর্দা থেকে তাঁর নির্মাণ করা ছিল অন্যতম বিশিষ্ট চরিত্র। ‘মন মানে না’ ধারাবাহিকে অভিনয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অর্জন করেন। সাধারণ ব্যবহার আর সহজ উপস্থিতির কারণে তাঁর কাছে পরিচিতি দ্রুত ছিল।
তুনিষা শর্মার জীবন স্বপ্ন দেখার মুহূর্তে চলে যায়। তিনি ছিলেন বিশিষ্ট ধারাবাহিকে অভিনয় করেছিলেন ‘ভারত কা বীর পুত্র—মহারানা প্রতাপ’, ‘চক্রবর্তী অশোক সম্রাট’, এবং আরও অনেক ধারাবাহিকে। কিন্তু শুটিং পর্বের সময় তাঁর মৃত্যু টেলিভিশন অঙ্গনে চোখ গুটোয়।
বৈশালী ঠক্কর ছিলেন নিজের জীবনে বিশেষ প্রতিভার প্রতিনিধিত্বকারী। তিনি ‘ইয়ে রিশতা ক্যায়া কেহলাতা হ্যায়’, ‘সসুরাল সিমর কা’, ‘সুপার সিস্টার্স’ এবং ‘মনমোহিনী’ ধারাবাহিকে কাজ করেছিলেন। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর খবর যখন ছোট পর্দায় চলে আসে, তখন অনেকে বিস্মিত হন।
প্রত্যুষা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন সম্ভাবনাময় অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন। তিনি ‘বালিকা বধূ’ ধারাবাহিকে অভিনয়ের মাধ্যমে ঘরে ঘরে পরিচিতি পান। স্বাভাবিক কাজের সুযোগ প্রতিবছর তাঁর নিকট আ
