রিজভীর মতে শেখ হাসিনা ছিলেন ইতিহাসের সবচেয়ে ঘৃণ্য ফ্যাসিস্ট
Banglaprabah.com – শ খ হ স ন ইত হ – রাজধানীর গুলশানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও গত তেরো বছরের সংগ্রামের চিত্র প্রদর্শনী দেখে শেষে রুহুল কবির রিজভী এক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ছিলেন এমন এক নেতা যিনি ইতিহাসের নিকৃষ্টতম ও ঘৃণ্যতম ফ্যাসিস্ট হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।
নাৎসি ও ফ্যাসিস্টদের সাথে পার্থক্য
রিজভী বলেন, পৃথিবীর অন্যতম নিষ্ঠুর ফ্যাসিস্ট ও নাৎসি নেতারা জোর করে ক্ষমতায় টিকে থাকলেও শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে তাদের থেকে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। হিটলার ও মুসোলিনির মতো ফ্যাসিস্টরা এথনিক ক্লিনজিংয়ের মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করেছিল। তবে তারা নিজেদের জাতিকে শ্রেষ্ঠ ও শক্তিশালী করার চেষ্টা করেছিল।
হিটলার বা মুসোলিনি শেখ হাসিনার মতো টাকা পাচার, ব্যাংকের অর্থ লুট, শেয়ারবাজার লুণ্ঠন কিংবা সরকারি জমি দখল করেনি।
বিএনপি নেতা আরও বলেন, ভয়ংকর খুনি ও ফ্যাসিস্ট হলেও হিটলার ও মুসোলিনির নিজ দেশের প্রতি ভালোবাসা ছিল। অন্যদিকে শেখ হাসিনার মূল লক্ষ্য ছিল গোটা জাতিকে লুণ্ঠন করে নিজের আত্মীয়স্বজনকে বিদেশে সুপ্রতিষ্ঠিত করা।
আওয়ামী ফ্যাসিবাদের উত্থান
রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে এক বিশেষ চোরা পথে ফ্যাসিবাদের উত্থান ঘটে এবং বাংলাদেশেও আওয়ামী ফ্যাসিবাদের উত্থান হয়েছিল। প্রতারণার মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতে আওয়ামী লীগ জনগণের রক্ত ঝরাতে দ্বিধা করেনি।
রিজভী আরও বলেন, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ এবং ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ হত্যার শিকার হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে কোলের শিশুও নিহত হয়েছে।
রেস্তোরাঁর বাবুর্চি, ফলের দোকানের কর্মচারী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহত হয়েছেন।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও ভবিষ্যৎ
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল এক বিশাল জাগরণ এবং অত্যাচারীর বিরুদ্ধে জনগণের ভেতরে সুপ্ত শক্তির পারমাণবিক বিস্ফোরণ। জনগণের এই শক্তি শেখ হাসিনা উপলব্ধি করতে পারেননি বলেই বারবার ভুয়া ও পাতানো নির্বাচন করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছেন। বিশ্বের দু-একটি দেশ ছাড়া কেউ সেই সরকারকে সমর্থন করেনি। তবু তারা জোর করে ক্ষমতায় ছিল।
রিজভী বলেন, গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার যে গণতান্ত্রিক প্রত্যয় রয়েছে, তা বাস্তবায়নে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যেভাবে লড়াই করেছেন, সেই লড়াইয়ে তাঁরা ভবিষ্যতেও শামিল হতে দ্বিধা করবেন না।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is শ খ হ স ন ইত হ?
শ খ হ স ন ইত হ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does শ খ হ স ন ইত হ matter?
শ খ হ স ন ইত হ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
