Uncategorized

শিশু রামিসাকে হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টা করা হয়েছিল: পুলিশ

পল্লবীতে হত্যা এবং লাশ গুমের চেষ্টা: পুলিশের তদন্ত শ শ র ম স ক হত - বৃহস্পতিবার সকালে পল্লবী এলাকায় একটি ঘটনা ঘটে যায়, যাতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তার

Desk Uncategorized
Published May 20, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পল্লবীতে হত্যা এবং লাশ গুমের চেষ্টা: পুলিশের তদন্ত

শ শ র ম স ক হত – বৃহস্পতিবার সকালে পল্লবী এলাকায় একটি ঘটনা ঘটে যায়, যাতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তার নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। পরে তার খণ্ডিত লাশ গুমের চেষ্টা করা হয়। পুলিশ জানায়, বাড়ির সামনে রামিসার একটি জুতা পড়ে থাকার কারণে তার মা পাশের ফ্ল্যাটে সন্দেহ করেন। সেখানে বাসা থেকে লাশ উদ্ধার করা হয় রাতে সোয়া ১০টার দিকে।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রামিসার মা তাকে স্কুলে খুঁজে পায়। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় তিনি ডাকাডাকি শুরু করেন। পাশের ফ্ল্যাটে থাকা সোহেল রানা (৩৪) এবং তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তার (২৬) গ্রেপ্তার হন। বিচ্ছিন্ন মাথা শৌচাগারে পাওয়া যায়, শরীরের মূল অংশ খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়।

পল্লবী থানায় প্রেস ব্রিফিং করে বলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম, “সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসার মা তাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খুঁজতে থাকেন। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় ডাকাডাকি শুরু করেন। সহযোগী আসামি স্বপ্না দরজা খুলে দেন, কিন্তু মূল আসামি সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান।”

পুলিশ তদন্তে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন যে, ভিকটিমের সঙ্গে যৌন নির্যাতন ঘটেছিল। আলামত সিআইডিতে পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। সোহেল রানার বিরুদ্ধে নাটোর জেলায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আগের একটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর আচরণ ও স্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী সে বিকৃত যৌন রুচির হতে পারে।

রামিসার মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানায়, স্বপ্না আক্তার দাবি করেন, তিনি ঘুমের ওষুধ সেবন করে ঘুমিয়ে ছিলেন। তবে তদন্তে দেখা গেছে, তিনি দরজায় ধাক্কা দেওয়ার পরে দীর্ঘ সময় বন্ধ রাখার মাধ্যমে সোহেল রানার পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছেন।

রামিসার পরিবার বলেন, তারা পল্লবীর মিরপুর–১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের ৭ নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়িতে বসবাস করছেন। রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা, যিনি একটি রিক্রুটিং এজেন্সিতে চাকরি করেন। মায়ের নাম পারভীন আক্তার, তাঁদের দুই মেয়ের মধ্যে রামিসা ছোট। বড় মেয়ে রাইসা আক্তার নবম শ্রেণিতে পড়ে।

রামিসার চাচা এ কে এম নজরুল ইসলাম বলেন, “সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বড় বোন রাইসার সঙ্গে রামিসা স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল। হঠাৎ তাকে খুঁজে পাওয়া যায়

Leave a Comment