Uncategorized

শিশুহত্যা-ধর্ষণ: তারপরও আমরা নিজেদের সভ্য ভাবি কী করে

শিশুহত্যা-ধর্ষণ: তারপরও আমরা নিজেদের সভ্য ভাবি কী করে শ শ হত য ধর ষণ - শিশুদের সুরক্ষা না থাকলে সমাজটি নিজেকে সভ্য বলে চিহ্নিত করতে পারে না। যে সমাজে শিশুদের

Desk Uncategorized
Published May 23, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

শিশুহত্যা-ধর্ষণ: তারপরও আমরা নিজেদের সভ্য ভাবি কী করে

শ শ হত য ধর ষণ – শিশুদের সুরক্ষা না থাকলে সমাজটি নিজেকে সভ্য বলে চিহ্নিত করতে পারে না। যে সমাজে শিশুদের বিকাশের পথে বাধা তৈরি করা হয়, সেই সমাজের আইনি সীমাবদ্ধতা স্বীকার করতে হবে। শিশু দেশের ভবিষ্যৎ হিসেবে বিবেচিত হয়, কিন্তু তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় না। মানুষ নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে ভাবে এবং সেই ভাবনা থেকে দুর্বৃত্তে পরিণত হয়। এমন সমাজ তৈরি হয় যখন শিশুদের মৃত্যু বা ধর্ষণ বিচার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয় না।

রাজধানীর মিরপুর পল্লবীতে আট বছরের একটি শিশু তাদের পাশের ফ্ল্যাটে এক দুর্বৃত্তের হাতে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়েছিল। কেন এটি সম্ভব? যখন সমাজে অশুভ শক্তি শুভ শক্তি পরাজিত করে এবং অপরাধীদের নিশ্বাস ঘাড়ে পড়তে হয়। আমরা যে কন্যা হত্যার বিচার চাই না বলে স্বীকার করেছিলেন শিশুটির বাবা। কারণ তিনি বিচার পাবেন না বলে মনে করেন।

তিনি কন্যা হত্যার বিচার চান না। কেননা তিনি জানেন বিচার পাবেন না। বিচার পাওয়ার রেকর্ড নেই।

শিশু নির্যাতন রোধে কঠোর আইন রয়েছে বাংলাদেশে। কিন্তু আইনের যথাযথ প্রয়োগ নেই। নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ আইন ২০০০ অনুযায়ী মামলা সমাপন হওয়া সময় বেশি হয়ে পড়ে। নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় শাস্তির হার মাত্র ৩ শতাংশ। প্রায় ৭০ শতাংশ মামলায় আসামিরা বেকসুর খালাস পায়।

গত চার মাসে জানুয়ারি-এপ্রিল পর্যন্ত সংঘটিত ১১৫টি শিশু হত্যার ঘটনার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হত্যা নির্যাতনের কারণে ঘটেছে। তার মধ্যে ৫৯টি হত্যা শিশুদের নির্যাতনের ফলে, ১২টি শিশু ধর্ষণের পর নিহত হয়েছে। এর বাইরে ২০টি শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এই তথ্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে সংগঠনটি ঘোষণা করেছে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও ব্র্যাকের গবেষণায় ভয়াবহ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন মামলাগুলো প্রায় তিন বছর সাত মাস সময় নেয়। এ ঘটনা বিচারব্যবস্থার ভঙ্গুরতা প্রমাণ করে। মানুষ সমাজের ন

Leave a Comment