শিশুদের বার্নআউট হওয়ার চিহ্ন সহজে বোঝা যেতে পারে
শ শ দ র ব র নআউট – শিশুদের বার্নআউট লক্ষণ অনেকের কাছে অস্পষ্ট থাকে। মানুষের মনে হয়, তাদের চাপ অনেকটা হালকা এবং পড়াশোনার সময় অবসাদের আকার নেওয়া যায় না। যাইহোক, প্রতিযোগিতার অবসান শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে।
বার্নআউট শব্দটি প্রথম চাকরিজীবীদের সাথে পরিচিত। ক্লান্ত মনের চাপে কাজ করতে হয় অবিরাম ডেডলাইনের বাধা পেলে সহ্যের সীমা ছেড়ে যায়। এখন সেই অবসাদ শিশুদের জীবনেও প্রবেশ করতে পারে।
অবসাদ এবং মানসিক চাপের সূত্র
অনেক সময় শিশুদের কাছে একটি পরীক্ষার ফল বা শিক্ষার প্রতি আকাঙ্ক্ষা মুভিং হতে পারে। নানা কারণে একটি ছাত্র এমন অবস্থায় পড়ে যেতে পারে যেখানে তার মনে আগ্রহ কমে আসে।
হঠাৎ করে একটি শিশু স্কুল থেকে ফিরে কিছু বিষয়ে অনীহা প্রকাশ করতে পারে। অনুমান করতে হবে কি এটি বার্নআউটের লক্ষণ। পরিবারের বিষয়গুলো বা পড়াশোনার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন হতে পারে।
মাতৃ-পিতৃ ভূমিকার গুরুত্ব
আপনার সন্তান সাধারণত মানসিক চাপ বোঝতে কম সময় লাগে। সূক্ষ্ম পরিবর্তন সন্তানের কথা শুনতে হবে। ছোটখাটো কথা থেকে আপনার মন দ্বারা সে মানসিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে পারে।
আপনি যদি শিশুর আচরণে পরিবর্তন দেখেন যেমন মনোযোগ কমে গেছে বা কোন কাজে অনীহা প্রকাশ পেলে সেটি বার্নআউটের লক্ষণ হতে পারে। অফলাইন খেলাধুলা দিয়ে তার মন নতুন আগ্রহ পাবে।
বার্নআউটের প্রতি দৃষ্টি
ডিভাইস সামনে বসে থাকার সময় শিশুদের মানসিক চাপ বৃদ্ধি পায়। স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ করে তাদের মন আরাম পাবে।
প্রাক্তনকে ভুলতে কত দিন লাগে? কীভাবে মনের ক্ষত দ্রুত শোধন করা যায়
বার্নআউট পরিস্থিতি ছাড়াও সন্তানের মানসিক চাপ কমাতে হবে। ক্ষত বুঝে তার মন স্থিতিশীল হবে।
