Uncategorized

শিল্পীর দেশে ‘কদর্য’ ফুটবল এবং জার্মানির মধুর প্রতিশোধ

বিশ্বকাপের যাত্রা এবং শিল্পীর দেশের ফুটবলের ছায়া শ ল প র দ শ কদর - ১৯৩০ সালে মন্টেভিডিওতে যে ধূসর বিকেলে বিশ্বকাপ মহাযাত্রা শুরু হয়েছিল, তার আজ শতবর্ষ পূর্ণ

Desk Uncategorized
Published May 25, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Table of Contents
  1. বিশ্বকাপের যাত্রা এবং শিল্পীর দেশের ফুটবলের ছায়া
  2. ক্যামেরুনের স্বাধীন ভূমিকা এবং লিনেকারের বিপর্যয়
  3. ম্যারাডোনার কান্না এবং আর্জেন্টিনার স্বাধীন চরিত্র

বিশ্বকাপের যাত্রা এবং শিল্পীর দেশের ফুটবলের ছায়া

শ ল প র দ শ কদর – ১৯৩০ সালে মন্টেভিডিওতে যে ধূসর বিকেলে বিশ্বকাপ মহাযাত্রা শুরু হয়েছিল, তার আজ শতবর্ষ পূর্ণ হল। এই ঐতিহাসিক মুখোমুখি পরিচয়ের কোনো স্থানে ছন্দ ছিল পেলে-গারিঞ্চার, কোনো স্থানে ম্যারাডোনার জাদু ছিল অনুভূত, আবার কোনো স্থানে জিদান বা মেসির অমরত্ব মেলে যাওয়া। এ সব একত্রে সমগ্র ফুটবলের অনুপম সমাপ্তি হিসেবে রয়েছে।

টাইব্রেকারের জন্য বিশ্বকাপের বিশেষ অভিযান

তার আগে কখনো বিশ্বে টাইব্রেকার কোনো ম্যাচ ছিল না। দুটি সেমিফাইনালই ১-১ সমতার পর ভাগ্যের ক্ষমতা নির্ধারণ করতে হয়েছিল। রোমে ফাইনালে জার্মানি ও আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হয়েছিল, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে টানা দুই ফাইনালে একই প্রতিপক্ষের সাথে মুখোমুখি হওয়ার প্রথম ঘটনা।

ফাইনালে এর আগে কোনো রানার্স অ্যাপ দল গোল না করে মাঠ ছাড়েনি। আর্জেন্টিনা সেই বিশেষ কীর্তি করেছিল। তার পর ফাইনালে কোনো লাল কার্ডও দেখা ছিল না। এখানে সের্হিও গয়কোচিয়া ও পেদ্রো মনজোন সমাপ্তির মুহূর্তে সৃষ্টি করেছিলেন সেই ‘কলঙ্কের’ লেখা।

ক্যামেরুনের স্বাধীন ভূমিকা এবং লিনেকারের বিপর্যয়

১৯৯০ বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় চমক হল ক্যামেরুনের। উদ্বোধনী ম্যাচে বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়ে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে তারা গোলে হারিয়ে দেয়। এরপর রোমানিয়াকে হারায় দুই গোলে। শেষ ম্যাচে সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে চার গোলে বিধ্বস্ত হলেও তিনি ইতিহাসে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছানোর সাফল কীর্তি ছিল তার পরিচয়ের বেশি।

তার সবচেয়ে অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতা ছিল লিনেকারের। পাঁচ বছর পর এক সাক্ষাৎকারে তিনি হাসতে হাসতে বলেছিলেন, “প্রথমার্ধেই শরীরটা খারাপ লাগছিল। দ্বিতীয়ার্ধে রাইট উইং দিয়ে একটা আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে যখন মাটিতে পড়ে গেলাম, ব্যস, শরীর ছেড়ে দিল!” প্যান্ট না খুলেই মলত্যাগ করে বসেছিলেন লিনেকার। পরে কুকুরের মতো ঘাসে নিজেকে ঘষে পরিষ্কার করার চেষ্টা করেছিলেন।

ইতালি থেকে ফিরে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রবেশ

আর্জেন্টিনার ফাইনাল ওঠার আসল নায়ক ছিলেন গোলরক্ষক সের্হিও গয়কোচিয়া। তাঁর স্বাধীন গল্পটা রূপকথাকেও হার মানায়। দ্বিতীয় ম্যাচে নেরি পুম্পিদোর পা ভেঙে গেলে কপাল খুলে গয়কোর। টাইব্রেকারের আগে যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে কাজ সারেন তিনি মাঠের মধ্যেই।

পরবর্তী সময়ে ১৯৯৩ কোপা আমেরিকাতেও ব্রাজিলের বিপক্ষে টাইব্রেকারের আগে কোচ আলফিও বাসিলে গয়কোকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “কাজটা করেছ তো?” তিনি আবার মাঠে প্রস্রাব করেন এবং ম্যাচ জেতান।

ম্যারাডোনার কান্না এবং আর্জেন্টিনার স্বাধীন চরিত্র

দ্বিতীয় রাউন্ডে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল ও আ

Leave a Comment