শিবির নেতা জিসানের চোখ কি খুলেছে আর প্রেমের কাহিনী
প্রেমের অবিচার ও ধর্মীয় বাধা
শ ব র ন ত জ স – শিবির নেতা জিসান মিয়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে মনে হয়েছে যে তাঁদের প্রতারণামূলক প্রেম নাটক গুমের কাহিনীতে পরিণত হয়েছে। কুমিল্লার দাউদকান্দি ও লাকসামের সংযোগস্থলে না পৌঁছালে আধুনিক বিজ্ঞান সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিল না বলে গুমের সংস্কৃতি ফিরে এসেছিল। কিন্তু রাজনৈতিক ইস্যু ঘটনার মাধ্যমে প্রতারণামূলক প্রেম কাহিনীটি উপস্থিত হয়েছে, যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন করে তুলেছে।
প্রেম বা প্রতারণা কেন রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হলো এটি অনেক মুহূর্তের পর বোঝা যাচ্ছে। কুমিল্লা পুলিশ জিসান মিয়াকে সংখ্যার সঙ্গে কথা বলতে দিচ্ছে না বলে সংসদ উপনেতা দাবি করেছেন। তাঁর নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর শিবিরের নেতা কর্মীদের নিয়ে একটি নাটক তৈরি হয়েছে, যার মধ্যে একজন নারীর নামও প্রকাশ করা হয়েছে।
সংসদে মুখোমুখি হওয়া এবং সাংবিধানিক আলোচনা
জামায়াত সমর্থনে জোয়ার বা হাইপ নিয়ে আলোচনা চলছিল। জিসান মিয়া সংসদে তাঁর প্রতিবেদনের মাধ্যমে গুমের ঘটনা ব্যাখ্যা করতে চাইছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে কি সরকার আর বিরোধী দলের মধ্যে সাংবিধানিক বিতর্ক দেখা যাচ্ছে? উভয় পক্ষের মধ্যে হইচই দেখা গেছে, যে প্লট তৈরি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পুলিশ সেই কাহিনীর উপর ভিত্তি করে তুলেছেন বলে আসামী হয়েছেন।
জামায়াতের দাবি মতো শিবির নেতা জিসান মিয়া নিখোঁজ হয়ে গেলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে বিশ্বাস করা হচ্ছে। তাঁর চোখ খুললে আদালতের কাঠগড়া ও দুনিয়ার তাবৎ ক্যামেরার ফোকাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পুলিশ সংযুক্ত হয়েছেন বলে মনে হচ্ছে যে জিসান মিয়া কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণায় অবলম্বন করা হচ্ছে না। ফলে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে যে তিনি শিবিরের একজন কেন্দ্রীয় নেতা। তাঁর প্রেম নাটক সরকার এবং বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পুলিশি অভিযানের আগে জিসান মিয়া এই প্রতারণামূলক ঘটনার সাক্ষী হয়েছেন বলে অভিযোগ আছে। কিন্তু চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে দেখেছেন যে তাঁর রক্তচাপ নরমাল, হার্টবিট ঠিক আছে এবং নার্ভ সম্পর্কে কোনো সমস্যা নেই। অর্থাৎ জিসান মিয়া হানড্রেড পারসেন্ট ফিট। কিন্তু কেন তিনি সর্বদা চোখ খুলবেন না তা বুঝতে এখনও বিতর্ক হচ্ছে।
বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যার কাহিনী প্রকাশের পর শিবির নে
