শরীয়তপুরে রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসককে মারধর করে মামলা, গ্রেপ্তার ৬ জন
ঘটনার প্রতিবেদন
শর য়তপ র র গ র ম – শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে এক রোগী মৃত্যুর পর তার স্বজনদের কাছে মারধরের অভিযোগ আসার পর চিকিৎসক নাসির ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা গৃহীত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় আকরাম এলাহী পালং মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। মামলার জন্য মোট ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও ৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এবং এর পর ছয় আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
বিস্তারিত তথ্য
শুক্রবার রাতে প্রায় দুপুরে শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর বিলাশখান এলাকার লাল মিয়া কাজী (৫০) নামের এক ব্যক্তি বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তার চিকিৎসকদের কাছে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মৃত্যু ঘটে। তদন্তে পরে চিকিৎসক নাসির ইসলামের বিরুদ্ধে মারধরের ঘটনা ঘটে।
হাসপাতালের সিসি ক্যামেরার ভিডিওতে দেখা যায় যে, জরুরি বিভাগের চিকিৎসককে প্রায় ২০-২৫ জন মানুষ আঘাত করে। তিনি পালানোর চেষ্টা করেন যার ফলে তাঁকে আবার আঘাত করা হয়। ঘটনার পর ওই চিকিৎসককে হাসপাতাল ভবনের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে ফেলে রাখা হয়।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জন রেহান উদ্দিন বলেন, “রোগীর স্বজনেরা আমাদের একজন চিকিৎসককে বেধড়ক মারধর করেছে। আমরা হাসপাতালের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলে বোঝা যাবে হামলার উদ্দেশ্য কী ছিল।”
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সলেমান কাজী (৩০), জসিম কাজী (৪০), আব্দুল জলিল কাজী (৩২), রবিউল কাজী (৩২), জায়েদা বেগম (৬০) ও আয়েশা মনি (১৯)। তারা সবাই শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর বিলাশখান এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ আলম প্রথম আলোকে বলেন, “মামলার ছয় আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে।”
রো
