শরিকানা কোরবানিতে যে ৯ বিধান জানা জরুরি
অংশীদার সংখ্যা নির্ধারণ
শর ক ন ক রব ন ত – শরিকানা কোরবানির ক্ষেত্রে অংশীদারদের সংখ্যা নির্ধারণ করা একটি মূল অংশ। শরিয়তের প্রমাণ অনুযায়ী গরু, মহিষ ও উটের সর্বোচ্চ সাতজন অংশীদার হতে পারেন। যদি অংশীদার সাতজনের বেশি হয়, তাহলে কোরবানি সহিহ হবে না। হাদিস প্রমাণ হিসেবে হজরত জাবের (রা.) বলেন, ‘আমরা হোদাইবিয়ায় নবীজি (সা.)-এর সাথে গরু এবং উটে সাতজন করে শরিক হয়ে কোরবানি করেছিলাম।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৩১৮)
ইখলাস বা একনিষ্ঠতার গুরুত্ব
কোরবানি একটি বাহ্যিক কাজ হলেও এর মূল উদ্দেশ্য হলো তাকওয়া অর্জন। শরিয়তে কোরবানির বিষয়ে কেবল দুঃখ ও আবেদন হতে হবে না, সেখানে প্রাণ দিয়ে প্রমাণ দেওয়া দরকার। আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহর কাছে কোরবানির গোশ্ঠ ও রক্ত কিছুই পৌঁছে না, পৌঁছে কেবল তোমাদের তাকওয়া।’ (সুরা হজ, আয়াত: ৩৭) যখন মানুষ সামাজিক মর্যাদা বা পরিবারিক চাপ বাধিয়ে কোরবানি করেন, তখন এটি কেবল কর্ম হয়ে যায় না, মূল উদ্দেশ্য বিস্তার করে দেয়।
অর্থের পবিত্রতা ও হালালতা
অসিয়তের ক্ষেত্রে গুরুত্ব পায় ব্যবহৃত অর্থের গুণবিশেষ। নবীজি (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ পবিত্র, তিনি পবিত্র বস্তু ছাড়া কিছুই কবুল করেন না।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১০১৫) এজন্য কোরবানির জন্য অর্থ নেওয়া হলে সেটি হালাল ও পবিত্র হতে হবে। যদি কারও উপার্জনে সুদ, ঘুস, প্রতারণা বা হারাম লেনদেনের প্রভাব থাকে, তাহলে কোরবানি সহিহ হবে না।
গোশ্ঠ বণ্টনের নিয়ম
কোরবানির পর গোশ্ঠ বণ্টন সবচেয়ে সংবেদনশীল বিষয়গুলির মধ্যে একটি। শরিকানা কোরবানির জন্য গোশ্ঠ ওজন করে সমানভাবে বণ্টন করা ওয়াজিব। অনুমান করে অংশ নির্ধারণ করা জায়েজ নয়, কারণ অসমান ভাগ করা সুদের কারণ হতে পারে। অংশ নির্ধারণ করার পর প্রতিটি শরিক নিজের অংশ থেকে গরিব-মিসকিন, আত্মীয়স্বজন ও পরিবারের জন্য গোশ্ঠ বিতরণ �
