লোহাগাড়ায় ছররা গুলির শিকারি হন দুই অটোরিকশার চালক
ল হ গ ড় য় সন ত – চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার হরিদার ঘোনা গ্রামের আমীর বাপেরপাড়া এলাকায় গত সোমবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে দুই অটোরিকশার চালক ছররা গুলির শিকারি হন। ঘটনার পরিচয় দেওয়া হয়েছে একটি সন্ত্রাসী দলের সদস্যদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করার ফলে। তাঁদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সন্ত্রাসীদের বর্তমানে দুই ব্যক্তি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অটোরিকশার চালকদ্বয় গুলিবিদ্ধ হন
আহত ব্যক্তিদ্বয় হলেন চুনতি ইউনিয়নের বড়ঘোনা এলাকার শাহ আলমের ছেলে কাইয়ুম শরিফ (১৯) এবং বড়হাতিয়া ইউনিয়নের নতুন পাড়া এলাকার হামিদ হোসেনের ছেলে মো. আকিব (২০)। তাঁদের ছররা গুলি শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লেগেছে। গুলির শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। রাত সাড়ে ৮টার দিকে আকিব এবং ১০টার দিকে কাইয়ুম হাসপাতালে আনা হয়।
গুলিবিদ্ধ আকিবের চাচাতো ভাই মো. ইমন প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেছিল স্থানীয় একটি সন্ত্রাসী দল। আকিব কিছু টাকা দিয়েছিলেন, কিন্তু সম্পূর্ণ পরিশোধ করেননি। সন্ত্রাসীদের তার প্রতি অসন্তুষ্টি ছিল, তাই তাঁকে গুলি করা হয়। গুলি শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা দুজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক দশক ধরে এ এলাকায় দুটি সন্ত্রাসী দলের তৎপরতা রয়েছে। এই দলগুলি ব্যবসায়ীদের এবং ধনাঢ্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে সাধারণত চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হামলা করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা ভয়ে কেউ তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি কথা বলেন না।
দুই ব্যক্তি কোথায় ছিলেন?
আকিব এবং কাইয়ুম হরিদার ঘোনা গ্রামের এলাকায় যাত্রী নিয়ে এ ঘটনার সময় গুলি করে পাহাড়ে পালিয়ে যান। ঘটনার জেরে তাঁদের চিকিৎসা করা হচ্ছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। লোহাগাড়া থানার ওসি (তদন্ত) প্রশান্ত কুমার ভৌমিক আজ মঙ্গলবার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ জমা দেননি। তদন্ত শেষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান হয়।
লোহাগাড়া উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবদুল্লাহ আল ফাহিম প্রথম আলোকে বলে
