র্যাপার প্রধানমন্ত্রী ও জেন–জি সরকার নিয়ে অস্বস্তিতে নেপাল
র য প র প রধ নমন – বর্তমানে নেপালের প্রধানমন্ত্রী একজন রাপ শিল্পী হিসেবে পরিচিত হওয়ার পর বাংলাদেশি সমাজ তা গৃহীত করেছে। তাঁর সবচেয়ে লোকপ্রিয় গান ‘ম নেপালও হাসেকো হের্ন চাহাচ্ছু’ বাংলায় অনুবাদ করলে তা হয় ‘আমি দেখতে চাই নেপাল হেসে উঠুক’। এই গানটি মিলিয়ন মিলিয়ন দর্শক আকর্ষণ করেছিল, যা কাঠমান্ডুতে মেয়র হওয়ার দৌড়ে তাঁকে কার্যকর সহায়তা করে। এখন তিনি সরকারের প্রধান হয়েছেন এবং জেন-জি গণ-অভ্যুত্থান প্রক্রিয়া দিয়ে তাঁকে সামনে রেখে নির্বাচনে জয় লাভ করেছেন।
তাঁর সরকার দুই মাস পর বিতর্ক ও প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছে। দেশজুড়ে সংবাদপত্রগুলো তাঁকে সমালোচনা করে সম্পাদকীয় লেখার শুরু করেছে, যা সামাজিক ক্ষোভ ও অনুমোদন দেখায়। তাঁর ডিক্রিগুলো বিধিবিধান অনুসারে যথেষ্ট নয় বলে উচ্চ আদালত একে স্থগিত করেছে। তাঁর দলের মধ্যেও অস্বস্তি দেখা দিয়েছে তাঁর কর্মকাণ্ডে।
‘বিভিন্ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কথা শোনার অধিকার রয়েছে জনগণের’
১৪ মে কাঠমান্ডু পোস্ট সম্পাদকীয় বলেছে এই কথা। সেই সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্রের ভাষণের মুখে প্রধানমন্ত্রী উঠে চলে যাওয়া ঘটেছিল কাঠমান্ডু পার্লামেন্টে, যা জাতীয় স্তরে আনন্দ তৈরি করেছিল। কিন্তু এখন তিনি গুরুত্বপূর্ণ নীতি ঘোষণার সময় নিয়োগ করতে পারেননি।
জেন-জি সরকার দেশে নিয়োগ দিয়েছে নতুন প্রধান বিচারপতি মনোজ কুমার শর্মাকে। এতে ঐতিহ্য লঙ্ঘিত হয়েছে বলে মন্তব্য হচ্ছে। সংবিধান পরিষদ ও পার্লামেন্ট তাঁর নিয়োগ অনুমোদন দিয়েছে। কিন্তু তাঁর প্রাপ্ত ক্ষমতার প্রতিক্রিয়া চলছে প্রতিদিন।
আইনজীবীদের মতে নতুন বিচারপতি নিয়োগ উচ্চ আদালতে বিচারকদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করেছে। এই অধিকারে কাঠমান্ডু পোস্ট গণমাধ্যমে নেপালের সংবিধান পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ কর্তৃত্ব রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর হাতে। তাঁর নিয়োগ পর আদালতের তিন জন বিচারক প্রধান বিচারপতি থেকে সিনিয়র হয়েছেন।
বিতর্কের মুখে বালেন শাহ
দেশের নির্বাহী প্রধানের প্রথম ছয়-সাত সপ্তাহে গুরুত্বপূর্ণ কোনো বক্তৃতা দেওয়া হয়নি। তাঁর সামনে উপস্থিত হলেও নানা কাণ্ড ঘটেছে বালেন শাহর কাছে। এই বছর অফিস ও আদালতের কর্মচারীদের ইউনিয়ন গঠন ও শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক সংগঠনের অধিকার বন্ধ করে দেখা গেছে। গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করেছে অক্সফাম সংস্থা, যেখানে নেপালে �
