ইউক্রেনের ড্রোন হামলা রাশিয়ার রাজধানী মস্কোকে আঘাত করেছে
র শ য় য় সবচ য় বড় – গত বুধবার রাতে ইউক্রেন রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে বৃহত্তম ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এটি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর মস্কোতে সবচেয়ে বড় ধরনের হামলার মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। হামলার ফলে একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।
মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানান, বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত রাজধানীর দিকে আসা অন্তত ১৯৪টি ড্রোন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে যে এই হামলাটি আজভ সাগরসহ রাশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে ইউক্রেনের দূরপাল্লার হামলার অংশ ছিল। এ সময় সর্বমোট ৫৫৫টি ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার মস্কোর সব প্রধান বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। রাশিয়ার বিমান চলাচল সংস্থা এ বিষয়ে জানিয়েছে। সম্প্রতি ইউক্রেন রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে দূরপাল্লার হামলা জোরদার করেছে। এটি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি একটি প্রধান কৌশল হিসেবে বিবেচনা করেছেন।
ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের পরে বৃহস্পতিবার রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। ওই সম্মেলনে জেলেনস্কি বলেছিলেন, ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করার বিষয়ে ‘সবাই’ সম্মত হয়েছেন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রস্তাবগুলো ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন।
গত মঙ্গলবার ট্রাম্প রাশিয়াকে একটি চুক্তিতে সম্মত হওয়ার আহ্বান জানান, যা এই পঞ্চম বছরে পড়া যুদ্ধটির অবসান ঘটাবে। তিনি বলেন, রাশিয়া বিপুলসংখ্যক মানুষ হারিয়েছে, ইউক্রেনও হারিয়েছে।
ব্রাসেলসে গতকাল ন্যাটোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকে ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটে জানান, আগের দিন এক বৈঠকে তিনি ও জেলেনস্কি যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। রুটে বলেন, ইউক্রেন সত্যিই ভালো করছে। তিনি আরও যোগ করেন, রাশিয়ার প্রতি মাসে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার সেনা হতাহতের কথা উল্লেখ করেন। ইউক্রেনের প্রয়োজনীয় ক্ষেপণাস্ত্র ইন্টারসেপ্টর ও অস্ত্র ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ‘সব মিত্রর সঙ্গে’ আলোচনা চলছে।
ন্যাটোর এই বৈঠক ইউরোপের
