রাজশাহীতে ট্রাফিক পুলিশের হস্তক্ষেপে অপহরণের হাত থেকে রেহাই পেল এক শিশু
র জশ হ ত ট র ফ – রাজশাহী ট্রাফিক পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ হস্তক্ষেপে এক শিশু অপহরণের হাত থেকে বেঁচে গেছে। সোমবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ঝাড়ুদার শ্রী বাবুল (৪৮) কোচিং কেন্দ্রে যাওয়ার পরিচিতি দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি রিয়ান হোসেন (১১) কে তার বড় ভাই হিসেবে চিহ্নিত করেন। তাঁর বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ উঠেছিল এবং রাজশাহী ট্রাফিক পুলিশ তাঁকে আটক করে নেন। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় পুলিশের হস্তক্ষেপ সম্পন্ন হয়।
অপহরণের প্রক্রিয়া
রাজশাহী ট্রাফিক পুলিশের কার্যক্রম অপহরণ ঘটনার অবিলম্বে প্রতিক্রিয়া দেয়। সন্ধ্যায় শিশুর বাবা সাখাওয়াত হোসেন হাসপাতালে আসেন ছেলেকে নিয়ে। চিকিৎসক শিশুটিকে ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে পাঠান। সেখানে তিনি দুই ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখেন। তবে শারীরিকভাবে সুস্থ থাকার কারণে কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়নি। রাজশাহী ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তারা স্থানীয় মানুষ এবং হাসপাতালের কর্মচারীদের সাথে যোগাযোগ করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
‘শিশুটিকে ওই ঝাড়ুদার ভয় দেখিয়ে নিজের সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ভয় দেখানোর জন্য শিশুটিকে আমার কাছে নিয়ে এসে বলছিলেন, “ওকে ধরেন তো।”’
আটক করা হয়েছে বাবুলকে
রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, অভিযুক্তকে রাজশাহী ট্রাফিক পুলিশের স্থানীয় কর্মচারীদের সাথে সমন্বিত করে আটক করা হয়েছে। পুলিশ ব্যবস্থাপনা ঘটনার পরে তাঁকে রাজশাহী ট্রাফিক পুলিশের স্থায়ী জেলার অফিসে পাঠান হয়। ছেলের বাবা মামলা করতে আসেননি এখনও যদিও রাজশাহী ট্রাফিক পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়া অবিলম্বে চলছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একটি মামলা তৈরি করা হবে।
বাবুল অতীতে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে রেকর্ড নেই। তবে রাজশাহী ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তারা তাঁর গতকালের আচরণ সম্পর্কে বিশদ তদন্ত করছেন। স্থানীয় মানুষ বলছেন যে বাবুল মাদকাসক্ত। রাজশাহী ট্রাফিক পুলিশ তাঁকে সামনে নিয়ে তদন্তে তাঁর স্থানীয় নাগরিকদের সাথে যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহ করছেন।
রাজশাহী ট্রাফিক পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ হস্তক্ষেপ এই ঘটনার সফল সমাধানে অবদান রেখেছে। আটক করা হয়েছে বাবুলকে এবং সে বর্তমানে র
