Uncategorized

যে শহর বৃষ্টির জন্য বিখ্যাত, সেখানে এখন আগুনঝরা দিন

যে শহর বৃষ্টির জন্য বিখ্যাত, সেখানে এখন আগুনঝরা দিন য শহর ব ষ ট র জন - দুপুর পর বিকেলের দিকে। প্যারিসের পরিচিত ত্রোকাদেরো চত্বরে আগুন ঝরছে। এখন শহরটি মেঘলা

Desk Uncategorized
Published June 28, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

যে শহর বৃষ্টির জন্য বিখ্যাত, সেখানে এখন আগুনঝরা দিন

য শহর ব ষ ট র জন – দুপুর পর বিকেলের দিকে। প্যারিসের পরিচিত ত্রোকাদেরো চত্বরে আগুন ঝরছে। এখন শহরটি মেঘলা আকাশ এবং শীতের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেয় না। রাস্তার পাশে পানির ফোয়ারাগুলো ভারী হয়ে ওঠে এবং শিশুদের ঘুরে বেড়ানোর জন্য এখন সেখানে একটি আনন্দ হাসিল হচ্ছে। তবে পর্যটকদের মনে হয় এই সংকট বৃষ্টির নিয়মিত ঘটনার চেয়ে অনেক বেশি গুরুতর। কারণ তাপমাত্রা শুধুমাত্র পরিবর্তনের দৃশ্য হিসেবে বিশ্ব সম্মুখে আসছে না—এটি বৃষ্টির দিকে গোটা সমাজের জন্য নতুন পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

প্যারিসে এই তাপমাত্রা অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে। দুপুরে রাস্তা তুলনামূলক ফাঁকা হয়ে যায় এবং শহরটি তার চিরচেনা রূপ হারায়। কারণ সেখানে তাপ থেকে মুক্তি পেতে বিশেষ সুবিধা নেই। নির্মাণশ্রমিক, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ডেলিভারি রাইডারদের মধ্যে অস্বাভাবিক গরমের কারণে ক্লান্তি আর হিটস্ট্রোকের ভীতি বেড়েছে। চিকিৎসকদের তাপদাহের প্রতি সতর্কতা আবেদন করা হচ্ছে যে শরীরে পানিশূন্যতা হতে পারে।

“প্যারিসে আমাদের বাসা বাস করতে হয়। অনেকে খোলা আকাশের নিচে কাজ করেন। কিন্তু তাপমাত্রার বাড়তি আমাদের জন্য অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে।”

সিংহভাগ আবাসিক ভবনগুলোতে তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আর মাঝে মাঝে নিয়মিত ঘটনার মতো আগুনের কারণে এখন শহরটি স্থায়ী অস্বাভাবিকতার মুখে আসছে। তবে ফ্রান্স সরকার এর পরিচিতি করেছিল। তাপপ্রবাহ ঘটনার পর সরকার হাসপাতাল, বৃদ্ধাশ্রম ও স্থানীয় প্রশাসনকে জরুরি পরিকল্পনার আওতায় আনা হয়েছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে তাপপ্রবাহ আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। ইউরোপের স্থানগুলোতে গড় তাপমাত্রা ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগের শতাব্দীর তুলনায় তাপদাহ দীর্ঘ হয়ে ওঠে এবং আগের চেয়ে বেশি তীব্র হয়ে ওঠে।

জুনের শেষ সপ্তাহে ফ্রান্সজুড়ে অস্বাভাবিক তাপমাত্রা রেকর্ড হয়। শহরের বিভিন্ন পার্কগুলোতে মানুষ ছায়া খুঁজছে। লুক্সেমবার্গ পার্কে অনেকে বই পড়ছেন, কেউ কেউ নদীর বাতাসে স্বস্তি খুঁজছেন। গরম বাতাস মুখে এসে লাগে এবং পাথরের চত্বর থেকে যেন আগুনের আঁচ বের হচ্ছে। আধুনিক রূপের প্রতি তৈরি করেছিলেন জেওরজ উজেন হোসমান। এটি শীত মোকাবিলার জন্য নয় গরমের জন্য। সিংহভাগ বাসার জন্য তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেই। দিনের তাপ দেয়াল ও ছাদে জমে থাকে, ফলে রাতেও ঘরে ঠান্ডা হয় না।

যাঁরা খোলা আকাশের নিচে কাজ করেন, তাঁদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি হচ্ছে। শিশুদের দেখা যাচ্ছে ফোয়ারার পানিতে খেলতে। কেউ কেউ পানির বোতল হাতে মুখ ও মাথা ভিজিয়ে নিচ্ছেন। অনেকের কাছে আধুনিক তাপদাহ অস্বাভাবিক ছায়া হিসেবে মনে হচ্ছে। কিন্তু এই বিষয়টি বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য পরিচিত নয়। তাঁরা বলছেন যে ঢাকার গরমে

Leave a Comment