Uncategorized

যেভাবে গড়ে ওঠে ইসলামের প্রথম বিদ্যালয়

ইসলামের প্রথম শিক্ষানিকেতন য ভ ব গড় ওঠ ইসল ম - হিজরতের পূর্ব মদিনা ছিল ইমানের প্রথম বীজ বপনের জন্য একটি উপযুক্ত প্রাকৃতিক ক্ষেত্র। নবীজি (সা.)-এর প্রতিকূল

Desk Uncategorized
Published June 6, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ইসলামের প্রথম শিক্ষানিকেতন

য ভ ব গড় ওঠ ইসল ম – হিজরতের পূর্ব মদিনা ছিল ইমানের প্রথম বীজ বপনের জন্য একটি উপযুক্ত প্রাকৃতিক ক্ষেত্র। নবীজি (সা.)-এর প্রতিকূল পরিবেশে মদিনার আউস ও খাজরাজ গোত্রের নেতারা তাঁর কাছে চিঠি পাঠালে ইসলামের সৌন্দর্য দেখে তারা এমন একজন শিক্ষক পাঠানোর দাবি জানায়। যিনি তাঁদের কোরআন শিক্ষা দিবেন এবং ইসলামের মূল ধর্মীয় বিধান ও জীবনদর্শন বুঝিয়ে দিবেন।

মহানবী (সা.) এ দাবি পূরণের জন্য মদিনায় একজন অত্যন্ত গুণগ্রাহ্য সাহাবি মুসআব ইবনে ওমায়ের (রা.)-কে পাঠান। তিনি মদিনায় গিয়ে যে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেন, তাকে তাত্ত্বিকভাবে ইসলামের প্রথম মাদ্রাসা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাঁর উদ্যোগে মদিনা প্রান্তে ইসলামের আলো ক্রমাগত ছড়িয়ে পড়ে।

নুরুদ্দিন আলী ইবনে ইব্রাহিম আল-হালাবি, আস-সিরাতুল হালবিয়্যাহ, ১/৪০৩

হজের মৌসুমে বায়আতে আকাবা পরের বছর মদিনা থেকে একটি বিশাল কাফেলা মক্কায় উপস্থিত হয়। তার সদস্যদের সম্মান ও নিরাপত্তা সম্পর্কে নীবর পরিবেশে নবীজি (সা.) সাক্ষাতে আকাবা নামক স্থানে স্থাপন করেন। এ ঘটনাকে ইসলামের ইতিহাসে আকাবার দ্বিতীয় শপথ হিসেবে পরিচিত।

আকাবার শপথ ও প্রতিশ্রুতি

আকাবার মজলিশে নবীজি (সা.)-এর চাচা আব্বাসও উপস্থিত ছিলেন। যদিও তিনি ইসলাম গ্রহণ করেননি, কিন্তু ভাতিজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি তাঁর নেতৃত্বে মদিনার কাফেলাকে সম্বোধন করেন।

‘সাকিফ গোত্রের ইসলাম গ্রহণ করো যারা তাঁকে মদিনায় নিয়ে যেতে চাইছেন। যদি তোমরা কৃত অঙ্গীকার যথাযথভাবে পালন করতে পারো এবং শত্রুদের হাত থেকে তাঁকে পূর্ণ নিরাপত্তা দিতে পারো, তবে এ দায়িত্ব গ্রহণে এগিয়ে আসো।’

কাফেলার প্রধান বলেন, ‘আমরা এ দায়িত্ব নিচ্ছি এবং বায়আতে আকাবার পূর্ণ বাস্তবায়নই আমাদের একমাত্র কাম্য।’ শপথ গ্রহণের পর আসআদ ইবনে জুরারা (রা.) বলেন, ‘তোমরা কি বুঝতে পারছ আজ তোমরা কোনো বিষয়ে বায়আত করছ? তার পূরণ করতে পারো তবে বায়আত কর। অন্যথায় নিজেদের অপারগতা প্রকাশ কর।’

ইবনুল আসির, আল-কামিল ফিত তারিখ, ১/৫১৬

আবেদনে সবাই একবাক্যে জানায়, ‘আমরা কোনো অবস্থাতেই এ বায়আত থেকে পিছনে হটব না।’ এরপর তাঁরা জিজ্ঞেস করে, ‘আমরা এ অঙ্গীকার পূরণ করলে কী প্রতিদান পাব? তিনি জানান, ‘আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত।’ সবাই উত্তরে বলে, ‘আমরা এতেই সন্তুষ্ট আছি। আপনি আপনার হাত বাড়ান। আমরা বায়আত করব।’

আস-সিরাতুন নববিয়্যাহ, ১/৪৩৮

অংশগ্রহণ ও প্রতিশ্রুতি

Leave a Comment