সিগারেট পরিহার করার কোনো বিকল্প নেই
য ক ন ধ মপ ন পর – প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি সার্বিক কর্মসূচি গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে কারওয়ান বাজারে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই সভাটি মাদক বিরোধী পরামর্শ প্রদানের জন্য বিনা মূল্যে সংগঠিত হয়, যার আয়োজনে প্রথম আলো ট্রাস্ট অংশগ্রহণ করে। সভার শুরুতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে সক্রিয় প্রচার পরিচালনা করা হয়, যেখানে স্বাস্থ্য পরিচর্যার জন্য সামগ্রিক পরামর্শ প্রদানের সুবিধা অফর্তন করা হয়। সভায় উপস্থিত হয়ে জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়গুলি আলোচনা করেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ বিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সরদার আতিক।
ই-সিগারেট কি সাধারণ সিগারেটের পরিবর্তন নয়?
বিষয়টি ছিল ‘ই-সিগারেট সাধারণ সিগারেটের বিকল্প না বিকল্প?’ এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে প্রাপ্ত করেছিলেন ডা. আতিক। তিনি বলেন, ই-সিগারেট কোনো সিগারেট থেকে বেশি স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে আসেনি, কিন্তু সম্পূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে নির্দেশ করা হয়নি। বিশেষজ্ঞ মতে এটি সিগারেটের পরিবর্তন হিসেবে নেওয়া হয়, যেখানে পরিবেশ দূষণ কিছুটা কম হয়। তিনি জানান, ই-সিগারেটে নিকোটিন পরিমাণ সাধারণ সিগারেটের তুলনায় কম থাকে। এতে ব্যবহৃত তরল পদার্থ চাইলে নিজের পছন্দ অনুযায়ী নিকোটিন মাত্রা কমিয়ে বা বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব। এই জন্য কিছু ব্যক্তি ‘জিরো নিকোটিন’ বিশিষ্ট ই-সিগারেট পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছেন।
“ই-সিগারেটকে সিগারেটের পরিবর্তন হিসেবে দেখা হয়, তবে এটি সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য ঝুঁকি সম্পর্কিত আলোচনা করতে হবে। যে কোন ধরনের ধূমপান পরিহার করার প্রকৃত বিকল্প সম্পূর্ণ অনুপস্থিত নয়।” বলে ডা. সরদার আতিক।
সভায় পরামর্শ প্রদানের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। ডা. আতিক তুলে ধরেন যে, ই-সিগারেটে নিকোটিন পরিমাণ সাধারণ সিগারেটের তুলনায় কম থাকার কারণে এটি স্বাস্থ্য সম্পর্কে একটি স্বল্প সমাধান হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে। তবে সিগারেট ধূমপানের প্রতি আকর্ষণ হতে পারে। ই-সিগারেট ব্যবহার করে পরিমাণ কম ধূমপান করার প্রচেষ্টা করা হয়, যেখানে নিকোটিনের প্রভাব কম হয়। তারপরও বিশেষজ্ঞ মতে এটি সম্পূর্ণ সমাধান নয়। তিনি বলেন, ই-সিগারেটে এমন পদার্থ থাকতে পারে যার ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া সাধারণ সিগারেটের তুলনায় কম হয়
