ইরানে বিশাল বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে যুদ্ধে জীবন দিতে চাওয়া মানুষদের কাছে
য দ ধ জ বন দ ত – যুদ্ধে জীবন দিতে চাওয়া ইরানিদের গণবিয়ে কর্মসূচি প্রায় সম্পূর্ণ দেশ জুড়ে উদ্বোধন করা হয়েছে। গত সোমবার রাতে তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় সরকারপন্থী সামরিক বাহিনীর গাড়িতে আসা বর-কনেদের দেখা গিয়েছিল। একটি অসাধারণ বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়, যাতে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। বিয়ের মঞ্চ বেলুনে সজ্জিত ছিল এবং গাড়িগুলোতে মেশিনগান স্থাপন করা হয়েছিল যাতে এই অনুষ্ঠানের গুরুত্ব বোঝানো হয়।
সমারোহের মূল উদ্দেশ্য ও সামরিক গুরুত্ব
ইরান সরকার বলেছে এই অনুষ্ঠানের নাম ‘জানফাদা’ বা আত্মোৎসর্গ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক সংকটের মুখে রয়েছে ইরান। তাদের উৎসাহ বাড়ানোর জন্য গণবিয়ে কর্মসূচি চালানো হয়েছে। এটি ইরানি জনতার মাঝে সামরিক প্রস্তুতির প্রতীক হিসেবে কাজ করছে। নিশ্চিতভাবে এই দেশ যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে এবং যুদ্ধে জীবন দিতে চাওয়া মানুষদের কাছে এই বিয়ে একটি অসাধারণ শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানি কর্তৃপক্ষ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণকে সামরিক সংকটের মুখে তাদের ভালো করে চিন্তা করতে উৎসাহিত করছে। প্রতিদিন দেশে সরকারপন্থী সমাবেশ হয় এবং এগুলো কোনো কিছু কেন্দ্রে হামলা ঘটানোর প্রস্তুতি প্রকাশ করার জন্য সূচনা করা হয়। গণমাধ্যমে এই অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হয় এবং এর গুরুত্ব জনপ্রিয়তা লাভ করছে।
‘আমরা রাস্তায় থাকা মানুষকে শুভকামনা জানাতে এসেছি,’ বলেন একজন বর। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি আত্মোৎসর্গের ভাবনার প্রতি জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। যুদ্ধে জীবন দিতে চাওয়া ইরানিদের গণবিয়ে একটি মহান গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে যা দেশের সামরিক জনগণকে একত্রিত করছে।
গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী লাখ লাখ মানুষ এ কর্মসূচি স্বাগতিক হিসেবে গ্রহণ করেছেন। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘে এ কর্মসূচিতে অংশ নেন। এটি বিশ্বাসের প্রতি প্রকাশ করছে যে ইরানি জনগণ দেশের স্বাধীনতা ও সম্মান রক্ষার জন্য বিপক্ষের বিরুদ্ধে নিজেদের বিস্তার করছেন।
এই বিয়ের মাধ্যমে যুদ্ধে জীবন দিতে চাওয়া ইরানিদের গণবিয়ে জনগণের মাঝে একটি সাংস্কৃতিক বাহন হিসেবে কাজ করছে। তেহরানের ইমাম হোসেন স্কয়ারে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সময় লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য রাষ্ট্রীয় উৎসাহ ও একত্রিত ভাবনা প্রকাশ করা।
বিশাল বিয়ের মঞ্চে মানুষের মুখে আত্মোৎসর্গের কথা উল্লেখ করা হয়। যুদ্ধে জীবন দিতে চাওয�
